কোচবিহার:২০১৯ এর The Great Blunder কাটিয়ে হেভিওয়েট নিশীথ প্রামাণিকের প্রতিপক্ষ হিসেবে তৃণমূলের রাজবংশী চেহারার দিক থেকে পার্থপ্রতিম রায় এগিয়ে, যদিও অনেকেই আছে দৌড়ে।

কোচবিহার:২০১৯ এর The Great Blunder কাটিয়ে হেভিওয়েট নিশীথ প্রামাণিকের প্রতিপক্ষ হিসেবে তৃণমূলের রাজবংশী চেহারার দিক থেকে পার্থপ্রতিম রায় এগিয়ে, যদিও অনেকেই আছে দৌড়ে।

আজ ২০২২ এর বছর শেষ, যদিও বিজেপির ডিসেম্বর চমক এখনো অবধি দেখা গেলো না কিন্তু কোচবিহার জেলায় ইতিমধ্যে সমস্ত দল ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে জোর কদমে।। প্রসঙ্গত ২০২১ নির্বাচনে দক্ষিণবঙ্গে তৃণমূলের বিপুল জয়ের পরেও উত্তরবঙ্গ জুড়ে বিজেপির আধিপত্য কায়েম হয়েছে এবং এর জন্য রাজবংশী ভোটব্যাঙ্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে সেইটা বলাই বাহুল্য তথা এই রাজবংশী ভোট ব্যাংকের কেন্দ্রবিন্দু উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক রাজধানী রাজনগর কোচবিহারের রাজনৈতিক আবহাওয়া যে প্রত্যেকটি তরাইয়ের রাজনৈতিক সংগঠনের জন্য লিটমাস টেস্টের কাজ করে এটা বিভিন্ন রাজনৈতিক বিশ্লেষণে বারবার উঠে এসেছে।।
উল্লেখ্য ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের পরে কোচবিহারের রাজনীতি 180° ঘুরে গিয়েছে এবং গত পৌরসভা নির্বাচনে বিভিন্ন পৌরসভায় তৃণমূলের আধিপত্য কায়েম হয়েছে।। এরই মধ্যে দেখা গেছে বারবার কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি বদল বিভিন্ন ধরনের তৃণমূলের অন্তর কোন্দল , এবং সমস্ত ঝড়ঝাপটা কাটিয়ে বর্তমানে কোচবিহারে তৃণমূল কংগ্রেসের অন্তরকলহ অনেকটাই কমে গেলেও গ্রামীন ভোটের সম্পর্কে এখনো সন্ধিহান হয়ে রয়েছে তৃণমূল নেতৃত্ব কারণ প্রকাশ্যে স্বীকার করতে না চাইলেও তৃণমূলের বিভিন্ন নেতা কর্মী একান্ত আলাপ আলোচনায় বরাবরই এই কথা বলে থাকেন যে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ও কোচবিহারের সাংসদ নিশিথ প্রামাণিকের প্রভাব রাজবংশী সম্প্রদায়ের মধ্যে রয়েছে বিস্তর। প্রসঙ্গত কোচবিহারে ও উত্তরবঙ্গে রাজবংশী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন ছোট বড় সংগঠনের গুরুত্ব লক্ষণীয়ভাবে কমে যাচ্ছে বিজেপির নেতাদের উত্তরবঙ্গ কেন্দ্রিক রাজনীতির জন্য এবং এর সুফল বিজেপি ভালো করেই ক্যাশ করতে পেরেছে বিগত নির্বাচনে এর জেরেই নিশিথ প্রামাণিকের রাজনৈতিক উচ্চতা এখন উত্তরবঙ্গের তৃণমূলের নেতাদের জন্য ঠাহর করা কঠিন হয়ে চলেছে যদিও রাজনৈতিক মহলের ধারণা এই সব কিছু নেপথ্যে রয়েছে ২০১৯ এর The Great Blunder অর্থাৎ তৃণমূলের প্রার্থী বাচাইয়ের সময় যখন পার্থপ্রতিম রায় কে সরিয়ে পরেশ অধিকারী কে তৃণমূল প্রার্থী করা হলো, এই রাজনৈতিক অদূরদর্শিতা তৃণমূলকে কোচবিহার জেলার সঙ্গে সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে ব্যাকফুটে এনে দিয়েছিলো। উল্লেখ্য, রাজবংশী ভোট ব্যাংকের এই দড়ি টানাটানিতে একদিকে যেমন নিজের রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার করতে মরিয়া বিভিন্ন ছোট বড় সংগঠন অন্যদিকে নিশীথ প্রামাণিকের প্রবল প্রতিপক্ষ হিসেবে তৃণমূলের অন্তর থেকেই প্রাক্তন সাংসদ তথা nbstc চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায় ইতিমধ্যে উঠে এসেছেন। ওয়াকিবহল মহলের ধারণা একদিকে কোচবিহার জেলা জুড়ে পার্থ প্রতিম রায়ের রয়েছে প্রভাব, এবং দীর্ঘদিন থেকে নিশীথ বিরোধী বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে কোচবিহারের মানুষ নিশীথের প্রতিপক্ষ হিসেবে পার্থপ্রতিম রায়কেই সব থেকে প্রবল দাবিদার এবং গ্রহণযোগ্য বলে মনে করে।। যদিও তৃণমূল নেতা গিরীন্দ্রনাথ বর্মন ও প্রাক্তন মন্ত্রী বিনয় কৃষ্ণ বর্মনো এই দৌড়ে রয়েছেন।। কিন্তু ২০১৯ এর The Great Blunder এর ইতিহাসের কারণে হেভিওয়েট নিশিথ প্রামানিকের প্রতিপক্ষ হিসেবে পার্থপ্রতিম রায়ের রাজনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা সবথেকে প্রবল করে তোলে।। যদিও আগামী লোকসভা নির্বাচনের তৃণমূলের প্রার্থী বাছাই এর সময়েই দেখা যাবে আসলে কোন সমীকরণ এবং কোন রাজনৈতিক পন্থা হেভিওয়েট নিশিত প্রামানিককে রুখতে তৃণমূল অবলম্বন করে।

নিজেকে ভার্জিন দাবী করলো অভিনেত্রী শ্রাবন্তী! হতভম্ব টলিপাড়া

টলিপাড়ার অন্যতম বিতর্কিত অভিনেত্রী ‘শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়’ (Shrabanti Chatterjee), যার অভিনয় জীবন ছাড়াও ব্যক্তিগত কাহিনি সব সময় চর্চিত হয় নেটদুনিয়ার পাতায়। তিনবার বিবাহ এবং তারপরে বিবাহ বিচ্ছেদ; এইসব নিয়েই বেশ শোরগোল থাকে তার সমালোচনার পাতা। এমনকি তার চতুর্থ বিয়ের নিয়েও উৎসুক হয়ে আছে নেটবাসীরা! এরই মাঝে এক বিস্ফোরক মন্তব্যের দ্বারা কটাক্ষের স্বীকার হলেন অভিনেত্রী।

এক ইন্টারভিউতে তার চতুর্থ বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তিনি জানান, “তিনি এখন বেশ ভালোই আছেন তার বন্ধু-বান্ধব, পরিবারকে নিয়ে। তবে এখনো পর্যন্ত সিঙ্গেল আছেন তিনি”। তবে এরপরই এক বিস্ফোরক মন্তব্য সে করে; তিনি বলেন, “আমি এখনো ভার্জিন, আমার দুঃখ-কষ্ট বোঝার কেউ নেই”! এই নিয়ে রীতিমতো হাসির রোল ওঠে নেটদুনিয়ার পাতায়। বিভিন্ন ব্যাপারে কটাক্ষের মুখে পরেন অভিনেত্রী, এটি তার মধ্যে এক অন্য মাত্রায় চলে গেছে।

যদিও এইসব ব্যাপারে খুব একটা পাত্তা দেন না তিনি, নিজের মতোই কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তার হাতে রয়েছে এখন বেশ কয়েকটি ছবি, তার মধ্যে অন্যতম ‘হাঙ্গামা ডট কম’। এই ছবির শুটিংয়ে কিছুদিনের জন্য কালিম্পং পাড়ি দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

উত্তরবঙ্গে নতুন ধরনের রাজনীতির social influencer চলন,Viral মূলমন্ত্র নিয়ে গোপনে আবির্ভাব রাজনীতির 5G সংস্করণ।

দেশে এসে পড়েছে 5G, যদিও 4G আমল থেকেই মরিচা ধরতে শুরু করেছিলো সেকেলে রাজনীতি।। আইটি সেল থেকে নিয়ে শুরু করে পাবলিক রিলেশন্স কোম্পানিগুলোর ক্রমেই গুরুত্ব বেড়েছে রাজনীতির আঙিনায়।। প্রশান্ত কিশোর, পুরনো সাফোলজির পাণ্ডিত্যকে হার মানিয়ে, রীতিমতো উজ্জ্বল সূর্য হয়ে সমস্ত ধরনের সমীকরণের ছায়া কাটিয়ে, রাজনৈতিক দলগুলোকে সোশ্যাল মিডিয়ার স্মার্ট আলোয় আলোকিত করে প্রমাণিত করেছেন, নির্বাচনের ডে নাইট ম্যাচের বিজয় তিলক ধারণ করতে হলে রপ্ত করতে হবে সোশ্যাল মিডিয়ার ফ্লাড লাইটের নিচে খেলার পদ্ধতি।।

যদিও সমস্ত রাজনৈতিক দলের সোশ্যাল মিডিয়া সেল ইতিমধ্যে চলনে রয়েছে, কিন্তু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সঙ্গে জনগণো তাল মিলিয়ে স্মার্ট হওয়ার জেরে সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক নতুন ধরনের ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যাচ্ছে।। একদিকে যখন পারম্পরিক সংবাদ মাধ্যম গুলোর উপরে পক্ষপাতিত্ব অভিযোগের সুচি ক্রমাগত বেড়ে চলেছে,  যার জেরে তাদের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমে আসছে সমাজে। অন্যদিকে আগে থেকেই ভাইরাল  সোশ্যাল influencerদের গুরুত্ব ক্রমেই বেড়ে চলেছে।।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন Social influencer দের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গোপনে সাক্ষাৎ করছেন,, এবং তাদেরক সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় রাখার চেষ্টা করে চলেছেন, সূত্রের খবর কোন কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হচ্ছে প্রলোভন।সঙ্গে সঙ্গে এই সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের ক্রমেই কদর বাড়ছে রাজনৈতিক আঙিনায়।। তাদের ডাক পড়ছে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।। টলিউড কিংবা বলিউডের তারকা দের থেকেও জনমানুষের মধ্যে এইসব influencer দের প্রভাব অনেকটাই বেশি বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহল।।

প্রসঙ্গত, বর্তমান রাজনীতির মূলমন্ত্র যেমন, যে করেই হোক নির্বাচনে জয়লাভ করতেই হবে।তেমনি সোশ্যাল মিডিয়ার মূলমন্ত্র হচ্ছে ‘যেভাবেই হোক ভাইরাল হতে হবে,, এই ক্রমে,ইতিমধ্যে কিছু কিছু social influencer কুরুচি সম্পন্ন মন্তব্য এবং কার্যকলাপ করে অথবা প্রকাশ্যে গালিগালাজ করেও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ভাইরাল।। এইরকম অবস্থায় রাজনৈতিক মহলের ধারণা রাজনৈতিক নেতাদের Gold rush এর মতন ঠিক করে যাচাই না করে শুধু ভাইরাল তত্ত্বকে সামনে রেখে social influence দের পিছনে এই অন্ধ দৌড় হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে।। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো Boomerang হয়ে যেতে পারে।। কারণ এই সমস্ত সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সাররা ভাইরাল হওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেন সেই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতাদের গায়ে বিরুপ তকমা লেগে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা যে থেকেই যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য।।

যদিও, ক্রমেই রাজনীতিতে Social influencer দের গুরুত্ব যে বাড়বে এবং আগামী দিনে সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সরেরা যে রাজনৈতিক প্রচারেরো হয়তো সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হতে চলেছে।। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সম্ভাবনা এবং সতর্কতা দুটোর মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপন করার প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। এই ক্ষেত্রে শুধুই ভাইরাল না, ভাইরাল হওয়ার পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করাটাও প্রয়োজন , কারণ সোশ্যাল ইন্সুরেন্স দের দায়বদ্ধতা না থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের মানুষের কাছে দায়বদ্ধতা রয়েছে।

ঘুঘনি ও চা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা কিন্তু ছোট থেকেই বড় হয় মানুষ, নিজের জীবন কাহিনী দিয়ে বললেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কোচবিহারের এক বিশিষ্ট ব্যবসায়ী- কলমে শাশ্বত দাস।

১৯৯৫ সালে মার্চ মাসে বিয়ে করতে হয়। আমার প্রয়োজন ছিল বিবাহ। বিবাহ মানে একটা সম্পর্ক। একজন নারী শুধু বিছানার সঙ্গী হিসেবে কিন্তু আসে না। জীবন সঙ্গিনী হিসেবেই আসে। বাবা যে চাকরি করতেন সেখানে পেনশন ছিল মেরে কেটে দুহাজার। আর নতুন বউ প্রথম দিন শ্বশুর বাড়িতে এসেই রান্নাঘরের হালটা ধরেছিল। কারণ আমার মা মারা গিয়েছিলেন অনেক আগে। প্রেম-ট্রেম কি ছিল জানিনা। শ্বশুর মশাই তার ঘাড় থেকে তার বড় মেয়েকে নামাতে চাইছিলেন, আমিও ভালবাসার জালে যখন আষ্টেপৃষ্টে বাঁধা পড়েছি, তার প্রয়োজনীয়তা জীবনের সর্বক্ষেত্রে প্রার্থনা করেছিলাম।
বিয়ের সময় যেমন কন্যার ফিরিস্তি দেওয়া হয় তেমনি পাত্রেরও ফিরিস্তি দেওয়া হয়। Sales Executive. আসল কথা আমি কিছুই করি না। আমি বেকার সেটা সবসময় শুনেছি। যে কারো জন্য কিছু করে না তার নাম বেকার। যদি এই সংজ্ঞাটা ধরে নিই তবে আমাদের শিক্ষিত সমাজের মধ্যে অনেকেই বেকার। যারা দেখেও দেখেনা যারা শুনেও শোনে না। অর্থ উপার্জন মানেই সাকারত্ত্ব নয়।
যাইহোক ১৯৯৫ সালের নভেম্বর মাস। আমি রাসমেলায় একটা টেবিল বসিয়ে নানা রকম কলমের সম্ভার হাজির করেছি। আমি কলম ব্যবসায়ী। আমি যে দুটো মডেল বাজারে এনেছি, মানুষ না নিয়ে পারবে না! গ্যারান্টি!! আমি দেখেছি সেদিন। আমার স্ত্রী, আমার শ্যালিকা, আমার শাশুড়ি, আমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন আমার সেই ছোট্ট টেবিলের সামনে দিয়ে হেঁটে চলে গেছেন টেবিলটাকে আড়চোখে দেখে। রাসমেলার ময়দানে আমি স্বপ্নের ফেরিওয়ালা । কল্পনা করি। প্রত্যেকের বুকে থাকবে এই ব্রান্ড !!! আমি কিন্তু আমার কর্মে অবিচল। 100% ডেডিকেটেড পার্সন আমি।

তারপর পেশা পরিবর্তন করেছি। ক্যাটারিং নামের যে শিল্পটায় কোটি কোটি টাকা ওড়ে, ( যে ব্যবসাটা মন দিয়ে করা হোল না) সেই ব্যবসার কুচবিহারে আমি ছিলাম তৃতীয় ব্যক্তি। পুজোর সময় রাস্তার ধারে দোকান দিয়েছি। যা করেছি ১০০ শতাংশ নিবেদন করেছি। ফাঁক রাখলে লোককে ছোঁয়া যায় না। এও শুনেছি আমার পরিবার-পরিজন একথাও বলেছে আমি রাস্তার ধারে চায়ের দোকান দিয়েছি। একটা চাকরি বাকরি থাকলে নাকি আমার ভালো হতো!! সে সেলারি যাই হোক না কেন!! আল্টিমেট গোল হচ্ছে চাকরি!!!
সে সুট বুট পরিহিত সিকিউরিটি হোক বা কর্পোরেট সেক্টরের টাই পড়া পিয়নই হোক!! যাই হোক না কেন !! চাকুরীজীবি চাই!!! কন্যাদায়গ্রস্ত পিতার পাত্রের চাকরি হওয়া আবশ্যক।

সকালে বা বিকালে একটু চা খাওয়ার জন্য আমি সাগরদিঘির পূর্ব প্রান্তে বা স্টুডেন্ট হেলথ হোমের বিপরীতে গিয়ে দাঁড়াই।
দুজন চা বিক্রেতাকে দেখি। কাগজের কাপ ও বা মাটির ভাড়! অনবরত বিক্রি হয়েই চলেছে সেই চা! আমি খুব নিশ্চিত না হয়েও বলতে পারি দৈনিক বিক্রি পাঁচ হাজার ছাড়াবে। চা কে বিপনন করার অসাধারণ আইডিয়া!! আমি নিশ্চিত। আমার থেকে তার রোজগার বেশী!! অবাক হবার কিছু নেই
চা বিক্রেতাকে আমাদের সমাজ সম্মান দেন না। এখনও। দিল্লির রাজেন্দ্রনগর এলাকায় আমি দেখেছি বিভিন্ন ধরনের খাদ্যের দোকান। সেখানে ক্যাশ ট্রানজাকশন হয় না বললেই চলে । সবাই ফোন পে, গুগুল পে, পেটিএম এর বারকোড ডিসপ্লে করেছে সামনে। সে দু টাকাই হোক না কেন!! সেই সমস্ত রাস্তার ফেরিওয়ালারা যে ধরনের গাড়ি চড়ে আমরা স্বপ্নেও কল্পনা করতে পারি না।

প্রশ্ন হচ্ছে ঘুগনির কথা। আলু ভাজার কথা। তেলে ভাজার কথা। আমাদের মুখ্যমন্ত্রী সহজ সরল ভাবে মুখ ফুটে সত্যি কথাটা বলে দিয়েছেন। শেষে একথাও বলেছেন মানুষ কিন্তু এভাবেই বড় হয়।সোজাকে বাঁকা করে দেখা এ শুধু বাঙ্গালীই জানে। অন্য কোন জাতি জানেনা।( ক কলোনিয়াল আটিচিউড থেকে আমরা এখনও বের হতে পারিনি) না হলে পান মশলার বিজ্ঞাপনে সালমান খান বা অমিতাভ বচ্চনকে দেখা হতোনা। আমরা দেখছি।

আজকে অভিজিৎ গাঙ্গুলির সাক্ষাৎকার দেখছিলাম। তাঁর অতীত দিনের তার কাহিনী শুনছিলাম। সাধারণ ছাত্র থেকে আইনজীবী। পরে জজ। ওটাও একটা লড়াই।কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, টালির ঘরে থাকা বস্তির মেয়ে যখন রাজনীতি নামের খেলায় হারতে হারতে, মার খেতে খেতে, ক্ষমতার শীর্ষে বিচরণ করেন, তখন এলিট সমাজ সেই স্বীকৃতিকে স্বাগত জানাতে কুন্ঠিত হয়। সে সেই লড়াইকে উপহাস করে। যিনি সাধারণ ভাবে জীবন দেখেছেন তিনি তো সেই কথাই বলবেন। আমার ভেতরে শিক্ষা নামের এক ভাইরাস বাসা বেঁধেছে। তিনি অতি সাধারন জন্যই তিনি আক্রমনের সহজলভ্য নিশানা। মুখ্যমন্ত্রী ঠিক কি বলেছেন!! আমি জানি অনেকেই শোনেননি। প্রতিটি সফল ব্যবসায়ীয় মূলধন শুধু এক হাজার টাকা না।
মেহনত!! যা তাকে কোটি টাকার ভরসা যাগায়। মেহনতি মানুষের যিনি প্রতিনিধি, তিনি জানেন অভাবের কথা। তাই তো প্রটোকল না মেনে ফস করে বলেই ফেলেছেন এই সব কথা।


বিশেষ দ্রষ্টব্য ঃ চিড়া, মুড়ি, ছোলা, বাদাম, মুগ ডাল, ছোলার বাহারি আইটেম …… প্যাকেটজাত হয়ে কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করে চলেছে।

Attitude অর্থাৎ “মনোভাব” কিন্তু এই ইংরেজি শব্দটির মর্ম বহুদূর- কলমে শাশ্বত দাস

রামকৃষ্ণ কথামৃতে পড়েছিলাম অবধূতের কথা। অবধূত অনেককে গুরু বানিয়েছিল। তার মধ্যে একজন ছিল একজন ছিল চিল নামের আমাদের পরিচিত পাখি। অবধূত শিক্ষা নিয়েছিলেন চিলের সেই দৃশ্য দেখে। চিল যখন মুখে মাছ নিয়ে উড়তে শুরু করেছিল ঠিক তখনই পেছন পেছন কয়েকশো কাক সেই চিলের পিছু ধাওয়া করে। মুখে মাছ নিয়ে কোথাও সে বসতে পারছিল না। কারণ কাক তার পিছনে। হঠাৎ চিলের মুখ থেকে মাছটা পড়ে যায়। আর কাক গুলো চিলের পেছনে না গিয়ে পড়ন্ত মাছের প্রতি ধাবমান হয়। চিলএকটি গাছের ডালে বসে নীচের দিকে তাকায়। মাছটা ছিল তার বাসনা।
জীবনে চলার পথে আমিও অনেককে গুরু বানিয়ে নেই। যেমন একজন সাইকেল মেকার। শিশু শ্রমিক। কোন একদিন সাইকেলটা দোকানে দিয়ে, কাজ পছন্দ না হওয়ার দরুন সেই কর্মচারীর মালিক কে ডাকতে বলেছিলাম। এবং প্রভূত অহংকারে বলেছিলাম তোর মালিক কি কি এই ধরনের কাজ শেখাচ্ছে? কর্মচারী শিশুশ্রমিক আঙ্গুল তুলে আমাকে জীবন দর্শন শিখিয়েছিল। “মালিক মালিক বলবেন না। উনি আমার বস। মালিক উপরওয়ালা।”
মেনেছি। হার মেনেছি। শিখেছি। আর শিখছিও। এ শেখার শেষ নেই। জীবন তো পাঠশালা।
আজকে যেমন আমার বন্ধুদের গ্রুপে একজন পোস্ট করেছে।
গল্পটা এইরকম।
একটা ট্রেনে দুজন ব্যক্তিকে উপস্থাপিত করা হয়েছে। একজন শার্ট প্যান্ট পরিহিত ব্যক্তি।যিনি বিজনেস ম্যান। আর একজন ভিক্ষাজীবি।
ভিক্ষাজীবী হাত পাততেই লোকটি বলল, “তুমি সব সময় ভিক্ষা কর এবং মানুষের কাছে চাও, তুমি কি কখনো কাউকে কিছু দাও কি ?”
ভিক্ষাজীবী শুধু অবাকই হলো না বিস্মিত হয়ে বলল, ” আমি শুধু মানুষের কাছে চাইতেই জানি। কাউকে কিছু দিতে জানিনা”
লোকটি উত্তর দিল, “যখন তুমি কাউকে কিছু দিতে জানোনা, তখন তোমার চাওয়ারও কোন অধিকার নেই। আমি একজন ব্যবসায়ী এবং শুধুমাত্র লেনদেনে বিশ্বাসী। “
সত্যিই তো চাওয়ার সাথে সাথে যদি কিছু দেওয়া যায় তাহলে ক্ষতি কি? যে স্টেশনে তার নিবাস তার চতুর্দিকে সে তাকালো। মানুষ আর মানুষ। অনেক দূরে স্টেশনের বাগানে কিছু ফুল ফুটে আছে। সে ভাবলো এই ফুল গুলো যদি বিনিময়ে দেওয়া যায় ক্ষতি কি?
পরদিন থেকে সে যখনই হাত পেতে কিছু চাইত, বিনিময়ে কিছু ফুল তুলে দিত দাতাদের হাতে। এভাবেই চলছিল দিন। পাওয়ার পরিমাণও বাড়ছিল।
একদিন চলন্ত ট্রেনে আবার দেখা সেই ভদ্রলোকের সাথে।
ভিক্ষাজীবীকে দেখে ভদ্রলোক বলে উঠলেন “বাহ তুমি তো দেখি বিজনেসম্যান হয়ে গেছো?”
ভিখারি ট্রেন থেকে নেমে চিন্তা করতে শুরু করলো। আমি কিভাবে বিজনেস ম্যান হলাম? আমি তো ভিক্ষাই করে চলেছি। বিনিময়ে কিছু ফুল তুলে দেই দাতাদের হাতে।
তারপর দিন থেকে সে আর ট্রেনে ভিক্ষা করতে বেরোলো না।

#

পাঁচ বছর পরের কথা।
একই ট্রেন দুজন স্যুট বুট পরিহিত মানুষ মুখোমুখি। একজন এগিয়ে গেল।
“স্যার আমাকে চিনতে পারছেন?”
“না তো।”
“স্যার, আমি সেই ভিক্ষাজীবী। প্রথমবার আপনি বলেছিলেন যখন তুমি কাউকে কিছু দিতে পারো না তখন তোমার চাওয়ার কোন অধিকার নেই।
দ্বিতীয়বার বলেছিলেন আমি নাকি বিজনেসম্যান হয়ে গিয়েছি। স্যার সত্যিই আমি এখন বিজনেসম্যান। ফুলের ব্যবসা করি।”
অবধূত,চিল,ভিক্ষাজীবী বা বিজনেসম্যান এই শব্দগুলো প্রাসঙ্গিক না। আসল কথা Attitude. জীবন নামের পরিধি না জানা বৃত্তের ব্যাসার্ধের পরিমান আমি কি করতে জানি? আমি শুধু বক্ররেখাকে সরল করে দেখার চেষ্টা করি। জীবন নামের বৃত্তের ব্যাস বা ব্যাসার্ধের পরিমাপ কে জানে ????

সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করা সহজ কথা নয় !!

যদি প্রশ্ন করা হয় তবে বেশিরভাগই উত্তর দেবেন, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করা সহজ নয়। এর বড় কারণ হলো তারা পরিশ্রম অনুযায়ী উপার্জন করতে পারে না, এমনকী তারা কাজের প্রতি অনেক বেশি নিবেদিত থাকে। সবার ছুটি থাকলেও তাদের ছুটি মেলে কম। যে কারণে প্রিয়জন এবং পরিজনদের সময়ও দিতে পারে না। জেনেশুনে এমন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর সাহস ক’জনেরই বা থাকে!এটি ঠিক যে একজন সাংবাদিকের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানো সহজ কথা নয়। তবে এটিও ঠিক যে, এটি ততটাও অলাভজনক নয়, যতটা মানুষেরা মনে করেন। সাংবাদিকের সঙ্গে জীবন জড়ালে আপনি অনেক ক্ষেত্রে লাভবান হবেন, অনেক বেশি অভিজ্ঞতায়ও সমৃদ্ধ হবেন।

জেনে নিন একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ইতিবাচক দিকগুলো-


*সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ১১ সুবিধা*

যদি প্রশ্ন করা হয় তবে বেশিরভাগই উত্তর দেবেন, একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করা সহজ নয়। এর বড় কারণ হলো তারা পরিশ্রম অনুযায়ী উপার্জন করতে পারে না, এমনকী তারা কাজের প্রতি অনেক বেশি নিবেদিত থাকে। সবার ছুটি থাকলেও তাদের ছুটি মেলে কম। যে কারণে প্রিয়জন এবং পরিজনদের সময়ও দিতে পারে না। জেনেশুনে এমন মানুষের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ানোর সাহস ক’জনেরই বা থাকে!এটি ঠিক যে একজন সাংবাদিকের সঙ্গে ভালোবাসার সম্পর্কে জড়ানো সহজ কথা নয়। তবে এটিও ঠিক যে, এটি ততটাও অলাভজনক নয়, যতটা মানুষেরা মনে করেন। সাংবাদিকের সঙ্গে জীবন জড়ালে আপনি অনেক ক্ষেত্রে লাভবান হবেন, অনেক বেশি অভিজ্ঞতায়ও সমৃদ্ধ হবেন। জেনে নিন একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার ইতিবাচক দিকগুলো-
তারা শহরের সবচেয়ে ভালো জায়গাগুলো জানে

অনেকে মনে করেন, সাংবাদিকেরা নিস্তেজ, অসামাজিক এবং আত্মপ্রেমেই মগ্ন থাকে। তবে বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। তারা শহরের সবচেয়ে আনন্দদায়ক পার্টিতে, সিনেমার প্রিমিয়ারে যেতে পারে; সেরা রেস্তোরাঁয় খাবার খেতে পারে। এমন মানুষের সঙ্গী হতে কে না চাইবে!

*সৃজনশীল*

একজন সাংবাদিককে অবশ্যই সৃজনশীল হতে হয়। জ্ঞানপূর্ণ এবং আকর্ষক গল্পগুলো তারা পাঠকের সামনে উপস্থাপন করে যা কিনা নিউজরুমের সীমার বাইরেও প্রসারিত হয়। একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করার অন্যতম সুবিধা হলো সে আপনাকে সবচেয়ে স্নিগ্ধ উপায়ে মুগ্ধ করতে পারবে। এমনকী তার দেওয়া কষ্ট কিংবা অবহেলাও হবে একইরকম সৃজনশীল!

*অন্তহীন কথোপকথন*

সাংবাদিকরা বোকা এবং স্মার্টনেসের একটি নিখুঁত মিশ্রণ। বিশ্বের চারপাশে যা ঘটছে তার খোঁজ তারা স্বাভাবিকভাবেই রাখে। তাদের সঙ্গে কথোপকথন আকর্ষণীয়। কথা চালিয়ে গেলে তা আপনাকেও জ্ঞান বাড়াতে সাহায্য করবে, তাদের সঙ্গে কথা অবিরাম কথা বললেও আপনি বিরক্ত হবেন না। কারণ তারা যেকোনো বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যেতে পারে।

*টাকা তাদের কাছে মূখ্য নয়*

তাদের কাজের প্রতি অনুরাগই তাদের চালিত করে, অর্থ নয়। যদি এটি অর্থ তৈরির বিষয়ে হতো, তবে তারা এই পেশায় থাকতো না। তারা তাদের পরিশ্রমের হিসাবে ততটা উপার্জন নাও করতে পারে, তবে তারা সময়কে বিনামূল্যে উপভোগ করতে পারে।

*বিশ্বস্ত*

বিশ্বাস হলো অন্যতম বৈশিষ্ট্য যা সাংবাদিকদের মধ্যে রয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রেকর্ডের বাইরে রাখা থেকে শুরু করে তারা অনেক কিছুই নিরাপদ ও গোপন রাখতে জানে। নিশ্চিন্ত থাকুন, আপনি যদি একজন সাংবাদিকের সঙ্গে প্রেম করেন তবে আপনার বিশ্বাস ভঙ্গ হবে না এবং আপনার গোপনীয়তা সব সময় নিরাপদ থাকবে।

*মাল্টিটাস্কিং তাদের শক্তি*

অগণিত উত্স, সময়সীমা এবং ভীষণ চাপের পরিবেশে কাজ করা তাদের অন্যতম দক্ষতা।  সাংবাদিকরা মাল্টিটাস্কিংয়ে বিশেষজ্ঞ। তারা তাদের কাজ এবং তাদের সম্পর্কের মধ্যে পুরোপুরি ভারসাম্য রাখতে পারে। তারা সারাদিনের পরিশ্রমের পরেও সঙ্গীকে ভালোবাসা এবং যত্ন দিতে পিছপা হয় না।
*সুমিত*
সাংবাদিকদের তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মাথা ঘামানোর সময় নেই। তারা আপনাকে এক মিলিয়ন প্রশ্ন দিয়ে অতিষ্ঠ করবে না বা আপনি কীভাবে আপনার দিনের প্রতিটি মিনিট কাটিয়েছেন তা জানার দাবি করবে না। তারা আপনাকে স্পেস দেবে এবং বিনিময়ে একই আশা করবে।

*কঠোর পরিশ্রমী*

সাংবাদিক হওয়া সহজ নয়। এটি কঠোর পরিশ্রম এবং নিঃশর্ত অধ্যবসায় দ্বারা ভারাক্রান্ত একটি জীবন। পিআর- এর সঙ্গে কাজ করা থেকে শুরু করে খবরের উৎসের পেছনে দৌড়ানো, কোনোটিই সহজ নয়। তারা ঠিক জানে যে কোনোকিছু সঠিকভাবে পেতে এবং কার্যকর করতে কী লাগে; এবং তাদের ব্যক্তিগত জীবনের ক্ষেত্রেও একই আচরণ আশা করে।

*ভালো শ্রোতা*

সাংবাদিকদের সবসময় মজার মজার গল্প থাকে। তারাও কিন্তু দারুণ শ্রোতা, তারা সত্যিকার অর্থে আপনার প্রতি আগ্রহ দেখাবে। তারা আপনার করা সামান্য ইঙ্গিতও ধরে ফেলতে পারদর্শী।

*সহায়ক*

সাংবাদিকরা প্রয়োজনে অন্যকে সাহায্য করার জন্য নিজের সামর্থ্যের বাইরেও যায়। এক্ষেত্রে অপরিচিত কেউ হলেও কোনো ব্যাপার না। তারা তাদের প্রচেষ্টায় কোনো ঘাটতি রাখে না। এটা বলাই যায় যে, সাংবাদিকদের হৃদয় বড় হয়।

*ফ্রি টিকিটের আনন্দ*

আপনার প্রিয় খেলা, কনসার্ট বা একটি শিল্প ইভেন্টে যোগ দিতে চান? আপনার ইচ্ছা হলেই তাকে জানান। কয়েকটি ফোনকলের মাধ্যমে কয়েক মিনিটের মধ্যেই টিকিট পেয়ে যাবেন!

একদিকে দিল্লি ও কাশ্মীর সহ বিভিন্ন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলকে পূর্ণ রাজ্যে রূপান্তরিত করার দাবী, অন্যদিকে উত্তরবঙ্গের নতুন কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের দাবিতে সরব বিভিন্ন মহল, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ও পুনরাজ্যের মধ্যে পার্থক্য কতটা!

একদিকে যখন কাশ্মীর ও দিল্লি সহ বিভিন্ন কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চলের থেকে সেইসব কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল কে পূর্ণ রাজ্যতে রূপান্তরিত করার দাবিতে সরব হয়েছে ওইসব এলাকার বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে নিয়ে বিভিন্ন জনগোষ্ঠী তখন উত্তরবঙ্গে নতুন কেন্দ্রীয় শাসিত অঞ্চল গঠনের দাবি জানাচ্ছেন কিছু রাজনৈতিক দলের নেতারা। কিন্তু পূর্ণ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে রয়েছে বিস্তর পার্থক্য।

লাগাতার উত্তরবঙ্গের বঞ্চনা নিয়ে প্রশ্ন তুলে কিছু কিছু রাজনৈতিক দল উত্তরবঙ্গকে আলাদা রাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল গঠনের দাবি জানাচ্ছে, যদিও রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস যেকোনো মূল্যে বঙ্গ বিভাজনকে আটকানোর জন্য ইতিমধ্যে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়েছে। এরই মাঝেই প্রশ্নটা বিভিন্ন মহলে দেখা যাচ্ছে যে যদি উত্তরবঙ্গে এমন কোন সমীকরণ তৈরি হয় তাহলে মানুষের লাভ কিসে? আসলে পূর্ণরাজ্য অথবা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে কতটা পার্থক্য রয়েছে!!

ভারত একটি বিশাল দেশ যেটি প্রশাসন ও রাজ্যগুলির মধ্যে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ভাগ করা হয়েছে। বরং, এটি রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল একটি ইউনিয়ন এটি বলতে বুদ্ধিমান হবে। রাষ্ট্রীয় পুনর্গঠন কমিটির কর্মের দ্বারা রাষ্ট্রগুলি ভাষাগত লাইনগুলির সাথে তৈরি করা হয়েছে, যদিও রাষ্ট্রগুলির সংখ্যা বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে ভারতের 28 টি রাজ্য এবং 8 টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল রয়েছে। একটি বহিরাগত জন্য একটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে একটি পার্থক্য না অনেক আছে, কিন্তু একটি ঘনিষ্ঠ বর্ণন উভয় কেন্দ্রীয় সরকার দৃষ্টিভঙ্গি হয় প্রশাসন এবং ক্ষমতা উভয় শর্তাবলী মধ্যে প্রকাশ। এই নিবন্ধটি একটি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে পার্থক্য হাইলাইট অভিপ্রেত।

ভারতের রাজ্যের অধিভূক্ত রাজ্যের সঙ্গে ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে এবং দীর্ঘদিন ধরে বিদ্যমান আছে, যদিও 1956 সালে ভাষাগত লাইনগুলির সাথে পুনর্গঠনের কারণে রাজ্যের ভূগোলগুলিতে ছোটখাট পরিবর্তন হয়েছে। অন্যদিকে, ইউনিয়ন অঞ্চলটি এমন এলাকা যেগুলি সেরা ফরাসি এবং পর্তুগিজ উপনিবেশ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে কারণ এই দুটি শাসক ক্ষমতা ছিল ব্রিটিশদের সমগ্র ভারত শাসন করার আগে এমনকি ব্রিটিশ প্রভাবের শীর্ষেও, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে ফরাসি বা পর্তুগিজ প্রভাব ছিল, যা গোয়া কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের ক্ষেত্রে বিজয়ের উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়, যা 196২ সালে পর্তুগিজ নিয়ন্ত্রণ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে, আর বাকিরা 1947 সালে ব্রিটিশ শাসন থেকে স্বাধীনতা লাভ করে।

প্রসঙ্গত, 8 টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে, দিল্লি, যা জাতীয় রাজধানী রাজ্য হিসেবে পরিণত হয়েছে এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল ছাড়াও পণ্ডিচিরই তাদের নিজস্ব আইন এবং মন্ত্রীদের কাউন্সিল আছে। কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির পুনঃস্থাপন কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত হয় যা লেফটেন্যান্ট গভর্নর নামে একজন প্রশাসক দ্বারা পরিচালিত হয় যিনি কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক নিযুক্ত হন এবং ভারতের রাষ্ট্রপতির প্রতিনিধি হন। এভাবে, রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মধ্যে প্রধান পার্থক্য এই যে, এই রাজ্যগুলি প্রশাসনিক একক তাদের নিজস্ব সরকার থাকা সত্ত্বেও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলি প্রশাসনিক কেন্দ্র যা সরাসরি কেন্দ্রীয় সরকার কর্তৃক শাসিত হয়। এমনকি পুণ্ডিচারী ও দিল্লির ক্ষেত্রেও তাদের নিজ নিজ সরকার আছে, ক্ষমতাগুলি যথাযথ রাজ্যের তুলনায় অনেক কম। দিল্লি 1991 সালে জাতীয় রাজধানী রাজ্যের অবস্থা পেয়েছে, এটি একটি সম্পূর্ণ রাজ্যত্বের পথে তার ব্যতিক্রম হিসাবে ব্যতিক্রম এবং বাকি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির তুলনায় এটি বিবেচিত হতে পারে।

খাগড়াবাড়ি অগ্রদূত নেতাজি সংঘের মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত পুজোর প্রথম বর্ষের পুজোর খুঁটি পুজো হলো আজ।

কোচবিহার খাগড়াবাড়ি অগ্রদূত নেতাজি সংঘের মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত পুজোর প্রথম বর্ষের পুজোর খুঁটি পুজো হলো আজ জন্মাষ্টমীর পুণ্য তিথিতে।

এই প্রথম কোচবিহার শহর সংলগ্ন খাগড়াবাড়ি বুড়িরপাটে শুরু হতে চলেছে দেবী বন্দনা, খাগড়াবাড়ি এলাকায় বেশ কিছু ঐতিহ্যশালী পুজো থাকলেও অগ্রদূত নেতাজী সংঘের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো মহামায়ার এই পুজো সম্পূর্ণরূপে পরিচালিত হচ্ছে মহিলাদের দ্বারা।। বিভিন্ন ক্লাব ও বিভিন্ন পুরাতন পূজা গুলির সঙ্গে পাল্লা দিতে এবার আসরে নেমে পড়েছেন ওই এলাকার মহিলারা।। তাদের দাবি মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত এই পুজো এবার ছাপিয়ে যাবে এলাকার অন্যান্য সমস্ত কমিটির পুজো কে। আশ্বিনের মাঝামাঝি এবারের পুজোয় জমে উঠবে খাগড়াবাড়ি অগ্রদূত নেতাজী সংঘের মহিলাদের এই বিশেষ উদ্যোগ ও প্রতিস্পর্ধা।। যদিও দেবী বন্দনায় কোনো রকম ভেদাভেদ চলেনা কিন্তু বাঙালির এই বিশেষ উৎসব আরাধনার পাশাপাশি নতুন উদ্যমকে আহব্বানও বটে।

বেদ = জ্যোতিষ শাস্ত্র ! whenever there is a problem in life, there is a solution – জ্যোতিষ শ্রী সৌরভ

জ্যোতিষ বেদের অংশ আমি মনে করি , যারা জ্যোতিষের কাছে আসেন তারা সমস্যা নিয়ে জীবনে যন্রণা নিয়ে আসে তবে আজকের দিনে বেশ কিছু মানুষ নিজের জ্যোতিষ পরিচয় দিয়ে নিজেকে প্রতারিত করে চলেছেন। এবং জ্যোতিষ শাস্ত্র নিয়ে ব্যবসা করে চলেছেন।

আমার ছোট্ট জ্ঞান থেকে মনে করি , জোতিষ কোনো ভয়ের বা ব্যবসার শাস্র নয়। এই শাস্র রচনা হয়েছিল মানব জীবনের কল্যাণের জন্য। আপনারা মনে রাখবেন জ্যোতিষ শাস্র কোনোভাবেই মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করতে পারে না। সঠিক জ্যোতিষ শাস্র অবশ্যই আপনাকে সঠিক দিশা দেখতে পারে। আপনার জীবনের কষ্ট , হতাশা এইটা নিয়ন্ত্রণ করে রাখতে পারে।

যারা বলেন জ্যোতিষ আপনার জীবনকে পরিবর্তন করতে পারেন তারা আপনাকে ভুল পথে চালিত করছেন। সজাগ থাকুন , অসাধু জ্যোতিষ তান্ত্রিক থেকে।

জ্যোতিষ ভয়ের নয় , সতর্ক করার স্বাস্থ্য।

আপনারা যদি আমাকে ভরসা করেন, কোটা দিচ্ছি আমি সর্বদা আপনাকে সঠিক পথ দেখানোর চেষ্টা করব।

জ্যোতিষ শ্রী সৌরভ।

আজকের বিশেষ রাশিফল (বুধবার) ৩ আগস্ট ২০২২, উত্তরের ১ নম্বর জ্যোতিষ শ্রী সৌরভ।

মেষ : কর্মে মধ্যম পরিবেশ , প্রেমে সমস্যা থাকবে।

বৃষ : দাম্পত্যে অশান্তি বজায় থাকবে , ব্যবসায় ভুল সিদ্ধান্ত হতে পারে।

মিথুন : বিবাহ প্রস্তাব দেবার জন্য আদর্শ দিন , আর্থিক ভাগ্য ভালো। চুরি থেকে সতর্ক থাকুন।

কর্কট : কাজের দায়িত্ব বাড়বে , ভ্রমণের যোগ রয়েছে।
সিংহ : যোগ্যতা অনুসারে আজ ফল পাবেন না , মানসিক দোটানা চলবে

কন্যা : পেটের সমস্যা থাকবে , কর্মে শত্রুতা থাকবে।

তুলা : আর্থিক চাপ কমবে , কাজে লগ্নি করতে পারেন।

বৃশ্চিক : পায়ে চোট পেতে পারেন , ব্যবসায় ভুল হতে পারে।

ধনু : মায়ের শরীর স্বাস্থ্য নিয়ে সমস্যা , গুরুজনের সাথে মতবিরোধ হতে পারে।

মকর : বাড়িতে কলহ হতে পারে , আর্থিক চাপ থাকবে ,

কুম্ভ : কাজের পরিবেশ আজ আপনাকে সমস্যায় ফেলতে পারে , ঠান্ডা লাগার প্রবণতা রয়েছে।

মীন : উচ্চশিক্ষায় সাফল্য থাকবে , ব্যবসায় উন্নতির সংযোগ।