পশ্চিমবঙ্গ পরিযায়ী শ্রমিক উন্নয়ন বোর্ডে কোচবিহার তৃণমূল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক।

#পশ্চিমবঙ্গ_পরিযায়ী_শ্রমিক_উন্নয়ন_বোর্ড।
WB MIGRANT WORKERS WELFARE BOARD.
পশ্চিমবঙ্গের বসবাসকারী যে কোন শ্রমিক ভিন রাজ্যে বা ভিন দেশে যারা কর্মরত বা কাজের জন্য ভবিষ্যতে যাবেন তাদের সকলের জন্য তৈরি হচ্ছে একটি নির্দিষ্ট পোর্টাল বা মোবাইল অ্যাপ #কর্মসাথী_পরিযায়ী_শ্রমিক।#KARMASATHI_(#PARIJAYI__SRAMIK). যা আপনি প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সেই সাথে যুক্ত হবেন সারা দেশ এবং দেশের বাইরে পশ্চিমবাংলার সমস্ত পরিচিত শ্রমিকরা একটি নির্দিষ্ট পোর্টালে। সে সাথে জেনে নেবেন পশ্চিমবঙ্গ সরকারের বরাদ্দ সমস্ত সুযোগ সুবিধা।
এই বোর্ডের সদস্য হিসেবে কোচবিহার তৃণমূল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক কে নিযুক্ত করা হয় এবং বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে রয়েছেন মন্ত্রী মলয় ঘটক।

কোচবিহারে শুরু হয়ে গেলো কিডন্যাপিং এর রাজনীতি!! তৃণমূল কর্মীকে জোরপূর্বক কিডন্যাপ করার চেষ্টার অভিযোগ, আতিক আহমেদ ও মুক্তার আনসারী ট্রেন্ড ক্রমশ কোচবিহারে!!

ফিল্মি কায়দায় কোচবিহারের গুঞ্জবাড়ি এলাকা থেকে এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীকে কিডন্যাপ করার চেষ্টার  অভিযোগ উঠলো।। অভিযোগ একটি গাড়ি করে দুষ্কৃতীরা এসেছিলো এক তৃণমূল কর্মীকে কিডন্যাপ করতে। পরবর্তীতে  লোকজনের উপস্থিতি এবং তৎপরতায় কিডন্যাপ করতে সমর্থ হয়নি দুষ্কৃতীদের দল। ঘটনায় গাড়িটিসহ আরো তিনজনকে গ্রেফতার করেছে কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিশ।

কোচবিহার অতিরিক্ত জেলা পুলিশ সুপার কুমার সানি রাজ জানান, গুঞ্জোবাড়ি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা রাহুল সেনের লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী চলতি মাসের ৬ তারিখ রাতে কিছু অপরিচিত ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক অপহরণ করার চেষ্টা করে। কিন্তু এলাকাবাসীদের তৎপরতায় তারা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলেও ধরা পড়ে যান। ঘটনায় মানিক সরকার, বাপন সাঁতরা এবং কুলদীপ জাহাঙ্গীর নামের তিন ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শোরগোল পড়ে গেছে। একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও এখনো পর্যন্ত কোনো দলের কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট গুলো অনুযায়ী এবং রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন অনুসারে ,, এই ঘটনা কোচবিহারের রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তনের সূচনা।।

শীতলকুচির খলিশামারিতে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত এক যুবকের পরিবারের হাতে ১২ লক্ষ টাকার সাহায্যের তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক।

শীতলকুচির খলিশামারিতে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত এক যুবকের পরিবারের হাতে ১২ লক্ষ টাকার সাহায্যের তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক। প্রসঙ্গত, কোচবিহারের শীতলকুচির খলিসামারীর বাসিন্দা বয়স ২৩ এর রামু বর্মন নামে এক যুবক বহুদিন থেকে ব্লাড ক্যান্সারে আক্রান্ত।। সামান্য কৃষক পরিবারের ছেলে রামু বর্মনের পরিবারের পক্ষে এই দুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা করানো সম্ভব হয়ে উঠছিলো না বলে তারা যোগাযোগ করেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিকের সঙ্গে তারপরেই পাশে থাকার বার্তা দেন কোচবিহারের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। উল্লেখ্য আজ সেই রামু বর্মনের বাড়িতে পৌঁছে গিয়ে তার পরিবারের হাতে ১২ লক্ষ টাকার চেক তুলে দেন স্বয়ং কোচবিহারের সাংসদ নিশীথ প্রামাণিক ।। এই সময় ছিলেন কোচবিহার জেলা বিজেপি সভাপতি সুকুমার রায় ও শীতলকুচির বিধায়ক বরেন বর্মন।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আরো এক উন্নয়নের ধাপ কোচবিহারে। শুরু হলো জেডি হাসপাতাল উন্নয়নের কাজ।।

স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আরো এক উন্নয়নের ধাপ কোচবিহারে। শুরু হলো জেডি হাসপাতাল উন্নয়নের কাজ।।

শনিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যায়ে শুরু হল রাজ আমলের জগদীপেন্দ্রনারায়ণ হাসপাতালের (জে.ডি হাসপাতাল) সংস্কারের কাজ।। সেই কাজের শুভ সূচনা করলেন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান তথা রগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র পার্থপ্রতিম রায়। ২০১১ সালে নতুন সরকার গঠনের পর দফায় দফায় কোচবিহার জেলায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পেয়েছে কোচবিহার জেলা। কিন্তু রাজ আমলের এই জেডি হাসপাতাল দীর্ঘদিন থেকে বেহাল অবস্থায় পড়েছিল। যক্ষা রোগীদের চিকিৎসা হতো এই হাসপাতাল থেকে। এখনো হয়। কিন্তু পরিকাঠামো কত অনুন্নয়নের জন্য বাধা পাচ্ছিল চিকিৎসা ব্যবস্থা। শেষমেষ 2016 সালে পুনরায় সরকার গঠনের পরে বিষয়টি নজরে আসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তারপর থেকেই কিভাবে এই হাসপাতালের উন্নয়ন করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছিল। মাঝে দুই বছর করোনা আবহের কারণে কাজ বন্ধ হয়েছিল। শেষমেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যদি হাসপাতালে পুরো সংস্কার এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু হলে সমগ্র কোচবিহার তথা পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার এবং নিম্ন আসামের একটা বড় অংশের মানুষের উপকার হবে। এদিন পার্থপ্রতিম রায় জানান, নিন্দুকরা চোখে কাপড় বেঁধে বসে আছে, দেখতে পায় না উন্নয়ন। জেডি হাসপাতাল সংস্কার এবং পুনরায় চালু হলে একদিকে যেমন এলাকার মানুষের উপকার হবে পাশাপাশি হাসপাতাল পরিসরের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। কোচবিহারের মহারাজা জগদীপেন্দ্র নারায়ন ভূপ বাহাদুরের হাত ধরে এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই হাসপাতালের গরিমা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান, জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুচিস্মিতা দত্ত শর্মা, কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি উমাকান্ত বর্মন।

সমকামীদের বিবাহ প্রসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টে লাগাতার শুনানি,বিশ্বজুড়ে আলোড়ন, বিবাহের পরিভাষা কি বদলে যেতে পারে!!समलैंगिक विवाह पर सुप्रीम कोर्ट में लगातार सुनवाई,क्या बदल सकती है विवाह की परिभाषा!

বিয়ের জন্য ভিন্ন লিঙ্গের দুই ব্যক্তির উপস্থিতি অপরিহার্য কি না তা নিয়ে প্রশ্ন তুলল সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার সমলিঙ্গ বিবাহ নিয়ে মামলার তৃতীয় দিনের শুনানির সময়ে এই মন্তব্য করেছে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ।

সমকামী সম্পর্ক যে শুধুমাত্র শারীরিক চাহিদার উপর নির্ভরশীল নয়, সে কথা পর্যবেক্ষণে বলেছে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ। বলেছে, ‘‘সমকামী সম্পর্কগুলি কেবল শারীরিক নয়, মানসিক, স্থিতিশীল সম্পর্কও।’’ এর পরেই ৩৭৭ ধারা প্রসঙ্গ তোলে বেঞ্চ। মনে করিয়ে দেয়, ২০১৮-র ৬ সেপ্টেম্বর, ভারতীয় সংবিধান ৩৭৭ ধারাকে প্রত্যাহার করে সমকামিতাকে ‘অপরাধ’-এর তকমা থেকে মুক্তি দিয়েছে।

শীর্ষ আদালতের প্রশ্ন— ‘‘যদি সমকামিতা অপরাধ না হয়, তা হলে দু’জন প্রাপ্তবয়স্ক সমলিঙ্গের মানুষের বিয়ের মতো স্থিতিশীল বন্ধনে আবদ্ধ হতে বাধা কোথায়?’’ সেই সঙ্গে সমলিঙ্গে বিবাহকে আইনি স্বীকৃতি দেওয়ার প্রসঙ্গে প্রধান বিচারপতির মন্তব্য, ‘‘বিয়ে সম্পর্কে আমাদের প্রচলিত ধারণাকে নতুন ভাবে সংজ্ঞা দিতে হবে।’’

सर्वोच्च न्यायालय ने गुरुवार को कहा कि भारत को संवैधानिक और सामाजिक रूप से देखते हुए, हम पहले से ही उस मध्यवर्ती चरण में पहुंच गए हैं, जहां समलैंगिकता को अपराध की श्रेणी से बाहर कर दिया गया है, कोई यह सोच सकता है कि समान लिंग के लोग स्थिर विवाह जैसे रिश्ते में स्थिर हों. प्रधान न्यायाधीश डी. वाई. चंद्रचूड़ ने कहा कि पिछले 69 वर्षों में, कानून वास्तव में विकसित हुआ है.

मुख्य न्यायाधीश ने कहा, जब आप समलैंगिकता को अपराध की श्रेणी से बाहर करते हैं, तो आप यह भी महसूस करते हैं कि ये एकबारगी संबंध नहीं हैं, ये स्थिर संबंध भी है. समलैंगिकता को अपराध की श्रेणी से बाहर करके, हमने न केवल समान लिंग के सहमति देने वाले वयस्कों के बीच संबंधों को मान्यता दी है, हमने अप्रत्यक्ष रूप से भी मान्यता दी है. इसलिए, तथ्य यह है कि जो लोग समान लिंग के हैं वे स्थिर संबंधों में होंगे.

न्यायमूर्ति एसके कौल, एस रवींद्र भट, हेमा कोहली और पीएस नरसिम्हा की खंडपीठ ने कहा कि 1954 (विशेष विवाह अधिनियम) में कानून का उद्देश्य उन लोगों को शामिल करना था, जो एक वैवाहिक संबंध द्वारा शासित होंगे. उनके व्यक्तिगत कानूनों के अलावा. पीठ ने समलैंगिक विवाहों के लिए कानूनी मंजूरी की मांग करने वाले कुछ याचिकाकर्ताओं का प्रतिनिधित्व कर रहे वरिष्ठ अधिवक्ता ए एम सिंघवी से कहा कि कानून निश्चित रूप से व्यापक रूप से सक्षम है, आपके अनुसार समान लिंग के स्थिर संबंधों को भी ध्यान में रखा जा सकता है.

अभिषेक मनु सिंघवी ने कहा, मैं इसे बहुत स्पष्ट रूप से रखता हूं. जब आपने कानून बनाया, संसद में बहस में, आपके दिमाग में समलैंगिकों का विचार नहीं हो सकता है. आपने उन्हें नहीं माना होगा. सीजेआई ने जवाब दिया, इससे कोई फर्क नहीं पड़ता. पीठ ने कहा कि आपका सिद्धांत यह है कि जब 1954 में कानून बनाया गया था, तो कानून का उद्देश्य उन लोगों के लिए विवाह का एक रूप प्रदान करना था, जो अपने व्यक्तिगत कानूनों से पीछे नहीं हट रहे हैं.

मुख्य न्यायाधीश ने कहा कि संस्थागत क्षमता के दृष्टिकोण से, हमें खुद से पूछना होगा कि क्या हम कुछ ऐसा कर रहे हैं जो मौलिक रूप से कानून की योजना के विपरीत है, या कानून की संपूर्णता को फिर से लिख रहे हैं, अदालत नीतिगत विकल्प बनाएगी, जो कि विधायिका को बनाना है. न्यायमूर्ति चंद्रचूड़ ने कहा, जब तक हम न्यायिक प्रक्रिया से नीति को विभाजित करने वाली उस रेखा से नहीं जुड़ते हैं, तब तक आप इसके दायरे में हैं.

मुख्य न्यायाधीश ने कहा कि संवैधानिक और सामाजिक रूप से भी भारत को देखते हुए, हम पहले से ही मध्यवर्ती चरण में पहुंच गए हैं. मध्यवर्ती चरण में यह माना जाता है कि समलैंगिकता को अपराध की श्रेणी से बाहर कर दिया गया है, समलैंगिकता को अपराध की श्रेणी से बाहर करने का कार्य इस बात पर विचार करता है कि ऐसे लोगों के रिश्ते स्थिर विवाह जैसे होंगे. उन्होंने कहा, जिस क्षण हमने कहा कि यह अब धारा 377 के तहत अपराध नहीं है, इसलिए हम अनिवार्य रूप से विचार करते हैं कि आप दो व्यक्तियों के बीच एक स्थिर विवाह जैसा संबंध बना सकते हैं.

রাজ্য রাজনীতিতে যখন সাম্প্রদায়িকতার প্রবল ঝড় ঠিক সেই সময় সাইবাবার ভক্ত কোচবিহার তৃণমূল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির নজির স্থাপন করছেন প্রশংসায় বিরোধীরাও

সারা রাজ্যে একের পর এক সাম্প্রদায়িক উত্তেজনার ঘটনা, রাজনীতি যেনো অদ্ভুত এক সামাজিক অসুখে ভুগছে। কোথাও হচ্ছে সংখ্যালঘুদের রাজনীতি কোথাও আবার সংখ্যাগুরুদের রাজনীতি চলছে দেদার গতিতে। বিভিন্ন ধর্মীয় সমাগমে উঠছে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান।
কিন্তু এরই মাঝে কোচবিহারে সম্পূর্ণ ভিন্ন উদাহরণ পেশ করছেন কোচবিহারের তৃণমূল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে  ভৌমিক। একদিকে যেমন কোচবিহারের তৃণমূলের দীর্ঘ সাংগঠনিক দুর্বলতা গুলোকে প্রায় দূর করে ফেলেছেন তৃণমূলের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক এবং প্রমাণ করেছেন তার দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা তথা ছাত্র রাজনীতি থেকে সঞ্চয় করা তার রাজনৈতিক দক্ষতা।।
অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক রাজনীতির এই বাজারে এবং পঞ্চায়েত নির্বাচনের ঠিক আগে তিনি একদিকে প্রতিনিয়ত রমজান মাসে সংখ্যালঘুদের সঙ্গে ইফতার করছেন এবং মসজিদে মাদ্রাসায় ভ্রমণ করে তথা লাগাতার জনসংযোগ করে মন জয় করছেন সংখ্যালঘুদের।
অন্যদিকে তাকে প্রতিনিয়ত দেখা যাচ্ছে মন্দিরে কখনো নিজেই করছেন শিব পূজা আবার কখনো মা কালীর আরাধনায় ব্যস্ত তিনি।
তার এই সব লাগাতার কর্মসূচি দেখে কোচবিহারের জনসাধারণ তো বটেই বিরোধী নেতাদের ফেসবুক পোস্টেও উঠে আসছে তার বিভিন্ন কর্ম দক্ষতার নজির।
প্রসঙ্গত, ভারতবর্ষের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক সাইবাবার ভক্ত জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক, অক্ষরে অক্ষরে রুপায়ন করছেন নিজের আদর্শ গুরুর আদর্শ কোচবিহারে, মানুষের মন মন্দিরে এক অন্যরকম জায়গা দখল করে ফেলেছেন তিনি ইতিমধ্যে।

স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশিথ প্রামানিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ হাইকোর্টের, তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ঝড়।

দিনহাটায় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের কনভয়ে হামলার ঘটনায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। এরপরেই কোচবিহার রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে বিভিন্ন ধরনের জল্পনা এবং এইসব জল্পনাকে হাওয়া দিচ্ছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের এবং কর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন ধরনের সোশ্যাল মিডিয়ার পোস্ট।। উল্লেখ্য, বিজেপি বহু নেতা কর্মীদেরকে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদেরকে হুঁশিয়ারি দিতে দেখা যাচ্ছে, এই কথা বলাই বাহুল্য হাইকোর্টের এই নির্দেশের পরে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের মনোবল পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে অনেকটাই চাঙ্গা হতে দেখা যাচ্ছে।। অন্যদিকে তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা কেন্দ্রীয় সংস্থা গুলোর অপব্যবহার নিয়ে নানা রকমের মিম তথা পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়াতে আপলোড করছেন।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর কনভয়ে হামলার ঘটনায় বড়সড়ো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। সেই জন্য আদালত চায় নিরপেক্ষ কোনও এজেন্সি এই ঘটনার তদন্ত করুক। সেই জন্যই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে হস্তান্তর করা হচ্ছে।

পরিকল্পিতভাবে নিশীথের কনভয়ে হামলা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছিল। সেই নিয়ে হাইকোর্টে মামলা দায়ের হয়। প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চে চলছিল এই মামলার শুনানি।

রাজনৈতিক মহলের ধারণা সমস্ত বিষয়ে গুলো নিয়ে আগামী দিনে পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক বাতাবরণে আরো উত্তাপ ছড়াবে।

কোচবিহার জেলায় তৃণমূলের দুই উজ্জ্বল যুব তারকার দাপটে ক্রমেই শক্তি অর্জন করছে তৃণমূল কংগ্রেস,পঞ্চায়েতের আগে গ্রামে গ্রামে তৃণমূলের হাওয়া, বিরোধীরা অদৃশ্য ও কোণঠাসা।।

কোচবিহার জেলায় তৃণমূলের দুই উজ্জ্বল যুব তারকার দাপটে ক্রমেই শক্তি অর্জন করছে তৃণমূল কংগ্রেস,পঞ্চায়েতের আগে গ্রামে গ্রামে তৃণমূলের হাওয়া, বিরোধীরা অদৃশ্য ও কোণঠাসা।।

যদিও দেশের বেশিরভাগ পঞ্চায়েত নির্বাচনগুলোতে সরকারের পক্ষে হাওয়া থাকে, কিন্তু বর্তমানে কোচবিহার জেলার বিভিন্ন গ্রামে সাংগঠনিকভাবে গত কয়েক বছরের থেকে অনেকটাই মজবুত হয়েছে তৃণমূল,, রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের কথা হামেশাই শোনা যাচ্ছে গ্রামীণ আড্ডা ও চর্চা গুলোতে।। অন্যদিকে রাজ্য জুড়ে যখন বিভিন্ন দুর্নীতির এত চর্চা , বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রতিনিয়ত সেইসব তথ্য নিয়ে চলছে আলোচনা তখন অদ্ভুতভাবে গ্রামীন আড্ডা গুলোতে সেইসব দুর্নীতির চর্চা আংশিকভাবে থাকলেও রাজ্য সরকারি প্রকল্প গুলোর কথাই বেশি শোনা যাচ্ছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল এবং এর সঙ্গে সঙ্গে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে তেমন করে আর সোচ্চার হতে দেখা যাচ্ছে না, যদিও দোরগোড়ায় চলে এসেছে পঞ্চায়েত নির্বাচন। নারায়নী সেনা থেকে নিয়ে রাজ্য বিভাজন , এরপরে বিজেপি বিধায়কদের যে কারণেই হোক নিজের এলাকায় কাজ না করতে পারাকে এইবার প্রধান নির্বাচনী ইস্যু বলে মনে করছেন রাজনৈতিক মহল , সবকিছুতেই অদ্ভুত ভাবে ব্যাক ফুটে বিরোধীরা, এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক বিরোধী নেতার কথায়, তাদের নির্বাচনী বৈতরণী পার করার ভরসা হচ্ছে তৃণমূলের অন্তরঘাত তথা সন্ত্রাসের আশঙ্কা।

প্রসঙ্গত, কোচবিহার জেলা মানে একসময় ছিলো তৃণমূলের অন্দরের তুমুল গোষ্ঠী কোন্দল। প্রতিনিয়ত ঘাত প্রতিঘাত এবং এইসবে পাল্টে গিয়েছিলো কোচবিহার জেলার রাজনৈতিক চরিত্র।। কোচবিহারে তৃণমূলের মাদার বনাম যুবর দ্বৈরথ হার মানিয়ে দিয়েছিলো টলিউডের চিত্রনাট্যকেও ।। এইসব বিবাদের সুযোগ নিয়েই সেই সময় শক্তি সঞ্চয় করেছিলো বিরোধী শিবির,, নিচু তালাতেও সংগঠন মজবুত করতে সক্ষম হয়েছিলো বিজেপি।। এই কথা বলাই বাহুল্য বর্তমানে কোচবিহার জেলার বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের তৃণমূল থেকে বহিষ্কার এবং রাজনৈতিক উত্থানের পটভূমি তৈরি করে দিয়েছিলো তৃণমূলের সেই সময়ের তুমুল গোষ্ঠী কোন্দল।
উল্লেখ্য, সেইসবের অবসান ঘটতে না ঘটতেই তৃণমূলের মধ্যে ফের শুরু হয়ে যায় “কাকা- ভাস্তা বিবাদ”  এবং বিশ্লেষক মহলের ধারণা , সেই সময়ে বিভিন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের একের পর এক খারাপ ফলের নেপথ্যে ছিলো এই বিবাদের জেরে অন্তরঘাত যার ফলস্বরূপ বারবার বদল হয়েছিলো তৃণমূল জেলা সভাপতি, যা সৃষ্টি করেছিলো তৃণমূলের নিচু তলার কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধোঁয়াশা, সেই ধোঁয়াশার অবসান যেনো কোন ভাবেই, ঘটাতে পারছিলেন না তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব।। কারণ কোথাও না কোথাও বর্ষিয়ান অভিজ্ঞতা বনাম নতুন উদ্যোমের  মধ্যে চলছিলো সংগ্রাম।

কিন্তু ধীরে ধীরে কালের নিয়মে যখন তৃণমূলের বর্ষিয়ান নেতাদের থেকে যুব নেতাদের হাত শক্ত হতে শুরু করে, তখনই লক্ষ্য করা যায় কোচবিহার তৃণমূলের মধ্যে এক অদ্ভুত পরিবর্তন একদিকে ক্রমাগত জনমুখী কার্যক্রম করে দলীয় নিচু তলায় তৃণমূলের ভাবমূর্তি বদলে কার্যকরী ভূমিকা পালন করছেন nbstc চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায়। রাজবংশী ভোট ব্যাংককে তৃণমূলের পক্ষে টানতে তিনি লাগাতার কাজ করে যাচ্ছেন।

অন্যদিকে , কোচবিহার তৃণমূলের জেলা সভাপতি হিসেবে অভিজিৎ দে ভৌমিকের  নাম ঘোষণা হওয়ার পরে থেকেই যেনো ম্যাজিকের মতন তৃণমূলের বহু পুরাতন সাংগঠনিক সমস্যার অবসান ঘটে গিয়েছে। এই যাবৎ কাল অবধি তৃণমূল কংগ্রেস কোচবিহার জেলায় যে সমীকরণের অভাবে ভুগছিলো সেই সমন্বয় স্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন তৃণমূলের বর্তমান জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক। সাংগঠনিকভাবে কোচবিহার জেলার গ্রামীণ এলাকাগুলোতে তৃণমূল কংগ্রেস এখন অনেকটাই ঐক্যবদ্ধ, কিছু কিছু জায়গায় অন্তরঘাতের সম্ভাবনা থাকলেও, অন্তর ঘাত করার মতন শক্তি খুব কম সংখ্যকের কাছেই রয়েছে, এবং এইসব অন্তর্গাতের প্রভাব তেমনটা থাকবে না বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক মহল।। সর্বশেষে এই কথা বলাই যেতে পারে, কোচবিহার জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস আগের থেকে অনেক বেশি পরিণত এবং সচেতন।। এখন এটাই দেখার বিরোধীরা বিশেষ করে বিজেপি এই ঐক্যবদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেসকে আগামী পঞ্চায়েত নির্বাচনের টক্কর দিতে কোন রণণীতি অবলম্বন করে!

উত্তরবঙ্গ রাজ্য পরিবহন কর্পোরেশনের (এনবিএসটিসি) সভাপতি কোচবিহারে ভাঙাচোরা রাস্তা চিহ্নিত করে, অবিলম্বে মেরামতের নির্দেশ দিলেন।

সোমবার দিনহাটা-আইবি ব্লকের পুটিমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতে ‘অঞ্চলে একদিন’ কর্মসূচি চলাকালীন, উত্তরবঙ্গ রাজ্য পরিবহন কর্পোরেশনের (এনবিএসটিসি) সভাপতি পার্থ প্রতিম রায় ওই গ্রামের প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলির ভাঙাচোরা রাস্তাগুলি চিহ্নিত করেছেন এবং কর্মকর্তাদের যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেই রাস্তাগুলি মেরামত করার নির্দেশ দিয়েছেন।

আজ হরিরধাম পুটিমারি-১-এ আশীর্বাদ প্রার্থনা কর্মসূচি দিয়ে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পার্থ প্রতিম রায় দিন শুরু করেন,সেখানে শত শত উৎসাহী সমর্থক তাঁকে আনন্দের সঙ্গে ঘিরে ধরেন। পুটিমারী গ্রামে তাঁর ‘অঞ্চলে একদিন’ কর্মসূচি শুরু করার আগে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পার্থ প্রতিম রায় নিজেকে “সাধারণ মানুষেরই একজন” বলে অভিহিত করে স্থানীয়দের সঙ্গে আলাপচারিতা করেছেন।

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পার্থ প্রতিম রায় জনসংযোগ সভা চলাকালীন জনগণের সঙ্গে কথা বলার সময় আরও যোগ করেছেন,”আপনারা আপনাদের সমস্যা সম্পর্কে দিদির দূতদের সঙ্গে কথা বলুন এবং তাঁদের আপনাদের সমস্যাগুলি সম্বন্ধে সচেতন করুন।
আমি সবাইকে অনুরোধ করব অনুগ্রহ করে দায়িত্ব নিয়ে আপনাদের অভিযোগ সম্পর্কে দিদির দূতদের অবহিত করুন। এভাবেই আপনারা প্রত্যেকে দিদির সুরক্ষা কবচের অধীনে প্রদত্ত সুবিধাগুলি গ্রহণ করতে পারবেন”।

এনবিএসটিসি চেয়ারম্যান আরও বলেছেন যে তিনি কয়েকটি রাস্তা চিহ্নিত করেছেন, যেগুলি দ্রুত মেরামত করা হবে। অঞ্চলে কর্মীসভায় বক্তৃতা করার সময়,সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা পার্থ প্রতিম রায় যোগ করেন,“সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব হলো এমন একটি দল যা জনগণের জন্য কাজ করে এবং তাঁদের অভিযোগের সমাধান করে। আমরা বিজেপি-নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় সরকারের সম্পূর্ণ বিপরীত,ওই সরকার ১০০ দিনের কাজের প্রকল্পের বকেয়া পরিশোধ করেনি এবং জনগণকে চরম ভোগান্তিতে ফেলেছে”।

__

Coochbehar: Souvick Singha Roy a political analyst and Editor in The Rainbow news portal.

Souvick Singha Roy popularly known as Souvick Singh is a popular personality and also known as very influential political analyst from Coochbehar, West Bengal, India.

He was born in 28th march 1987 to Dhirendranath Singha Roy and Protima Singha Roy. He completed his Schooling from Kendriya Vidyalaya Coochbehar then he did graduation in English from Coochbehar college.

The economic conditions of his family forced him to quit formal Education and he started giving tuitions to students. Later, He did many other works to support his family like selling cosmetic items on the streets and many other small jobs. Finally in 2019, he joined Master news a local news portal as chief editor. However, in 2020 he started his own news portal ‘The Rainbow’. He is quite popular with his show of interviewing Local political personalities. He is also known for his deep political analysis about International Geo politics & deep understanding about local politics. Then in 2021 he was elected as the first President of Digital Media Association of Coochbehar.

His program ” Soja prosno soja vaabe” plays an important role in creating public opinions about the local politics. He is often described as ‘King maker ‘ in the political world of Coochbehar and Alipurduar. He had done more than a 100 interviews in last 4 years.

Moreover, He is also known as a good teacher as well as a good businessman because of his big Market Complex in Takagach known as Singha Roy complex and several companies as well as charitable organizations established by him which gives employment to lots of people.