কোচবিহার:অনন্ত মহারাজের বিজেপির তরফ থেকে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার খবর চাউর হতেই, সামাজিক মাধ্যমে বিজেপি নেতাদের বিভিন্ন পোস্ট বিদ্রোহের ঝড়ের আভাস দিচ্ছে!!

কোচবিহার:অনন্ত মহারাজের বিজেপির তরফ থেকে রাজ্যসভার প্রার্থী হওয়ার খবর চাউর হতেই, সামাজিক মাধ্যমে বিজেপি নেতাদের বিভিন্ন পোস্ট বিদ্রোহের ঝড়ের আভাস দিচ্ছে!!

একদিকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফলে কোচবিহার বিজেপির ভরাডুবি, যদিও বিজেপির তরফ থেকে দাবী করা হচ্ছে আগের থেকে অনেক ভালো ফলাফল হয়েছে এবং নির্বাচনী সন্ত্রাসের জেরেই এই ভরাডুবি।। তবুও জেলায় বিজেপির ছয়টি বিধায়ক ও সাংসদ থাকা সত্ত্বেও জেলা পরিষদে মাত্র দুইটি আসন বিজেপি দখল করায় রাজনৈতিক মহলে নানান জল্পনা চলছে জেলা জুড়ে বিজেপির সাংগঠনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে।।

প্রসঙ্গত নানান সময়ে কোচবিহার বিজেপির অন্দরের দড়ি টানাটানি প্রকাশ্যে এসেছে, কিন্তু বিগত বিভিন্ন নির্বাচনে জেলায় বিজেপির ভালো ফলাফল সেইসব দুর্বলতাকে আড়াল করে চলেছিলো, তবে ২০২৩ এর পঞ্চায়েত নির্বাচন তথা ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনের ফলাফল বিজেপির এইসব দুর্বলতাকে অনেকাংশেই  উন্মোচন করে দিয়েছে।
এরই মাঝে জি সি পি এ নেতা অনন্ত মহারাজের রাজ্যসভায় প্রার্থী হওয়ার খবর চাউর হতেই সেই সব ক্ষোভের বাঁধ যেনো ভেঙে গিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে প্রকাশ্যে ফুটে এলো।।

উল্লেখ্য,২০১৯ ও ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজবংশী কার্ড ব্যবহার করে কোচবিহার জেলায় তথা উত্তরবঙ্গে বিজেপির ভালো ফলাফল হয়েছিলো,, এবং বিভিন্ন নির্বাচনে প্রতিফলিত হয়েছে যে রাজবংশী ভোট ব্যাংকের সিংহভাগ বিজেপির দখলে রয়েছে বরাবর। এবং এই ভোট ব্যাঙ্ক বারবার ক্যাশ করার জন্য উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন বিজেপি নেতা পার্টি লাইন থেকে সরে গিয়ে উত্তরবঙ্গে পৃথক রাজ্য তথা কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের  দাবি তুলেছিলেন।।
যদিও উত্তরবঙ্গে বিজেপির ভালো ফলাফলের পেছনে আরো কারণ ছিলো এর মধ্যে প্রধান কারণ ছিলো প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রতি বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মধ্যে বিশেষ আবেগ তথা পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের বিরুদ্ধে antiincumbency. কিন্তু বিধানসভা ও লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গ জুড়ে বিজেপির ভালো ফলাফল হওয়ার পরে নানান সময়ে বিভিন্ন বিধায়কের ও সাংসদদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ উঠেছে,, সঙ্গে সঙ্গে উত্তরবঙ্গ বিভাজন নিয়ে বিজেপি নেতৃত্বের অস্পষ্টতা রাজবংশী সমাজের আস্থায় বিভাজন ঘটিয়েছে বলে মনে করছে ওয়াকিবহল মহল।। এর সঙ্গে সঙ্গে নানান ক্ষেত্রে বিভিন্ন স্থানীয় বিজেপির নেতৃত্বের, সোশ্যাল মিডিয়ায় অতিসক্রীয়তা ও এলাকায় হঠকারী সিদ্ধান্ত জনগণের প্রতি তাদের নিষ্ঠার বিষয়ে প্রশ্ন ছুড়ে  দিয়েছে।

এই মতন পরিস্থিতিতে অনন্ত মহারাজের রাজ্যসভায় বিজেপির তরফ থেকে প্রার্থী হওয়ার খবর চাউর হতেই একদিকে বিজেপির অন্দরের অরাজবংশী নেতৃত্বের মধ্যে ক্ষোভের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে, অন্যদিকে রাজবংশী সম্প্রদায়ের মধ্যেও অনন্ত মহারাজের পৃথক সত্তা ও পূর্ববর্তী নানান দাবি সম্পর্কে তার নিষ্ঠার প্রতি সংশয়ের একটি জায়গা তৈরি করে দিচ্ছে।। প্রসঙ্গত, রাজনৈতিক মহলের ধারণা বিজেপির পুরনো অস্ত্র “রাজবংশী কার্ড” উত্তরবঙ্গে আগামী দিনে কতটা প্রভাব ফেলবে সেইটা তো সময়ের গর্ভে রয়েছে,, কিন্তু উত্তরবঙ্গ জুড়ে বিজেপির অরাজবংশী ভোট ব্যাংকের  মধ্যে একটি বিপরীত প্রভাব সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে আগামী ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে।।
যদিও সময় ও পরিস্থিতি নির্ধারণ করবে সমস্ত সমীকরণ ।

এক দিকে যখন দেশ জুড়ে চেয়ার নিয়ে কাড়াকাড়ি তখন পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে মঞ্চেই বসে প্রচার পরিচালনা করলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক।

এক দিকে যখন দেশ জুড়ে চেয়ার নিয়ে কাড়াকাড়ি তখন পর্যাপ্ত চেয়ার না থাকায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্বাচনী প্রচারে মঞ্চেই বসে প্রচার পরিচালনা করলেন কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক।

বসার মত পর্যাপ্ত চেয়ার ছিল না মঞ্চে, মঞ্চে উপস্থিত তৃণমূল কংগ্রেসের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ রাজ্যের তিন হেভি ওয়েট মন্ত্রী। তাই বসার জায়গা হয়তো হলো না কোচবিহার জেলা তৃণমূল সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকের। একপ্রকার মঞ্চের মেঝেতে বসে সভা পরিচালনা করলেন তিনি। মাটির মানুষ অভিজিৎ দে ভৌমিক তাই তার কোনোটাতেই কোন অসুবিধা নেই। হাসিমুখে বললেন আমি মানুষের প্রতিনিধি। কোচবিহার পঞ্চায়েত নির্বাচনের নির্বাচনী প্রচারে এসেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কোচবিহার 1 নম্বর ব্লকের চান্দামারী প্রাননাথ হাই স্কুলের মাঠে ছিল জনসভা। সেখানেই এই অভিনব দৃশ্য দেখা গেল। তবে সাধারণ কর্মীরা বললেন, অভিজিৎ বাবু নয় আমাদের কাছে তিনি হিপ্পি দা, আমাদের অত্যন্ত প্রিয় মানুষ ও মাটির মানুষ তিনি। উনি যেভাবে আছেন সেভাবেই ভালো।

দিনহাটায় ফের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা আক্রান্ত,এবার গলায় কুড়োল দিয়ে কোপ!

প্রসঙ্গত, নির্বাচন শুরু হওয়ার পরে থেকেই লাগাতার উত্তপ্ত রয়েছে  দিনহাটা  মহকুমা সংলগ্ন এলাকা গুলো, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর খাস তালুক দিনহাটায় নিজস্ব প্রভাব বিস্তারের লড়াই বলেই দিনহাটার এই উত্তপ্ত রাজনীতির ব্যাপারে বিশ্লেষণ করছেন ওয়াকিবহুল মহল কিন্তু দুই রাজার লড়াইয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে সাধারণ জনজীবন।।

গতকাল রাতে দিনহাটা ১ ব্লকের বড় আটিয়াবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের আটিবাড়ি বুথে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শর্মিষ্ঠা বর্মন সরকারের সমর্থনে প্রার্থীর স্বামী তথা ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সহ-সভাপতি দেবাশীষ বর্মন ও আরও কয়েজন প্রচার সেরে বাড়ি ফিরছিলেন সেই সময় পিছন থেকে দুস্কৃতিরা দেবাশীষ বর্মন  ভেবে তার সঙ্গে থাকা  বিনয় বর্মনকে কুড়োল দিয়ে গলায় কোপ দেয়। রক্তাক্ত অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পরে তৃণমূলকর্মী বিনয় বর্মন। এরপর,প্রথমে তাকে দিনহাটা হাদপাতাল, পরে কোচবিহার এম. জে. এন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। ইতিমধ্যে তার অবস্থা প্রচন্ড আশঙ্কা জনক রয়েছে বলে জানা গেছে এবং ভোরবেলা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব তাদের যথাসম্ভব সাহায্যের জন্য ব্যবস্থা করে দিচ্ছেন ইতিমধ্যে nbstc চেয়ারম্যান পার্থ প্রতিম রায় অভিযোগ করে জানিয়েছেন যে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরাই এই ঘটনা ঘটিয়েছে। যদিও বিজেপির তরফ থেকে সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলের ফলে এই ঘটনা বলে জানানো হয়েছে।

উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচন শুরু হওয়ার দিন থেকে উত্তপ্ত রয়েছে দিনহাটা মহকুমা সংলগ্ন এলাকাগুলো, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রীর খাস তালুক দিনহাটায় প্রভাব বিস্তারের এই লড়াইয়ে এই ধরনের ঘটনা লাগাতার হয়েই চলেছে।। এবং নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বহু মানুষ বিভিন্ন আড্ডায় রাজায় রাজায় লড়াইয়ে মরছে চাষা এই উক্তি জাহির করছেন।

শীতলকুচি:মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে ফেরার পথেই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা! মুহূর্তে পাল্টে গেল পরিস্থিতি!

মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে ফেরার পথেই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা! মুহূর্তে পাল্টে গেল পরিস্থিতি!

শীতলকুচি: পথ দুর্ঘটনায় মর্মান্তিক পরিণতি। বিডিও অফিসে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে ফেরার পথে ডাম্পারের ধাক্কায় মৃত্যু। মৃত মহিলা সিপিআইএম দলের মনোনীত প্রার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে মাথাভাঙা মহকুমার শীতলকুচি সড়কে বাউদিয়া বাজার এলাকায়। মৃতার নাম আয়েশা বিবি এবং তাঁর বয়স ৪৫ বছর। তিনি এবারের পঞ্চায়েত ভোটে খলিসামারি গ্রামের সিপিআইএম মনোনীত প্রার্থী। দুর্ঘটনার সময় স্কুটিতে করে ফিরছিলেন তিনি এবং তাঁর ছেলে আজাদ মিয়াঁ। আজাদের মাথায় হেলমেট থাকার কারণে তিনি কোন মতন প্রাণে বেঁচে যান। স্থানীয় বাসিন্দারা আজাদকে চিকিৎসার জন্য শীতলকুচি ব্লক স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পাঠান।

স্থানীয় সূত্রে জানতে পারা গিয়েছে, “এদিন আয়েশা বিবি তাঁর ছেলে আজাদ মিয়াঁর সঙ্গে স্কুটিতে করে শীতলকুচি বিডিও অফিসে যান মনোনয়ন পত্র জমা দিতে। মনোনয়ন পত্র জমা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে তিনি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। বাউদিয়া বাজার এলাকায় একটি ডাম্পার দ্রুতগতিতে এসে ধাক্কা মারে তাঁর স্কুটিতে। এই দুর্ঘটনায় মা ও ছেলে দু’জনেই রাস্তায় ওপরে ছিটকে পড়ে। তবে ছেলের মাথায় হেলমেট থাকায় সে প্রাণে বেঁচে যায়। তবে আয়েশা বিবির মাথায় আঘাত লেগে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনা স্থলে ছুটে আসে শীতলকুচি থানার পুলিশ। এবং মৃতদেহটি উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া যায়।”

শীতলকুচি থানার ওসি মৃত্যুঞ্জয় চক্রবর্তী জানায়, “সিপিএম মনোনীত প্রার্থী নমিনেশন পত্র জমা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। দুর্ঘটনার ফলে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই মহিলা আয়েশা বিবির। তবে তাঁর ছেলে প্রাণে বেঁচে যান। বর্তমানে তিনি শীতলকুচি ব্লক প্রাথমিক স্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছেন। শীতলকুচি থানার পুলিশ গিয়ে আয়েশা বিবির মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাথাভাঙা থানার পুলিশ মর্গে পাঠায়। পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যুর মামলার রজু করে গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে শীতলকুচি থানার পুলিশ।

দিনহাটা: একটি ছিনতাই এর ঘটনায় তদন্ত পুলিশ গ্রেফতার করলো ৫ জনকে, উদ্ধার নগদ টাকা, স্বর্ণ সামগ্রী সহ মোটরসাইকেল।

দিনহাটার গোপালনগর এলাকা থেকে এক ব্যবসায়ীর গলার হার ছিনতাই এর ঘটনায় পাঁচজনকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে, উদ্ধার হয়েছে গলানো সোনার হার, নগদ ৭৩ হাজার টাকা ও একটি মোটরসাইকেল ।। গ্রেফতার হওয়া অভিযুক্তদের নাম :১) মহবুল হক ২) সুজন বর্মন ৩) শাহানুর রহমান ৪) রঞ্জিত বর্মন ৫) জয়চাঁদ ভোসলে।

প্রকৃতির প্রকোপে কোচবিহারেও জলসংকট, সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানালেন কোচবিহারের পৌরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।।

প্রকৃতির প্রকোপে কোচবিহারেও জলসংকট, সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট করে জানালেন কোচবিহারের পৌরপ্রধান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ।।

রাজনগর কোচবিহার নানান কিংবদন্তি ও নানান ঐতিহাসিক ঐতিহ্যে ভরা, এই কোচবিহার শহর নিয়ে রয়েছে উত্তরবঙ্গ জুড়ে আবেগ, কত গল্প কত নাম, কত আকাঙ্ক্ষা ও রয়েছে নানান সংকল্পের কথা, এই শহর নিয়ে।। এক কথায় বলা চলে, কোচবিহার হচ্ছে উত্তরবঙ্গের সাংস্কৃতিক রাজধানী।। রাজনীতি থেকে সামাজিক নানান ক্রিয়া কলাপ, সবকিছুতেই সর্বদা শিরোনামে কোচবিহার।। দক্ষিণবঙ্গের বড় বড় শহর শুধু নয়, উত্তর পূর্বাঞ্চল, জয়পুর ও দিল্লি অবধি রয়েছে কোচবিহারের ঐতিহ্যের চর্চা।
রাজ্য মন্ত্রিসভা থেকে নিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা সবখানেই কোচবিহারের ঐতিহ্যের দাপট রয়েছে সাবলীল।
উত্তরবঙ্গের একমাত্র স্বপ্নের শহর (পরিকল্পিত শহর) কোচবিহার বিভিন্ন নামে বিভিন্ন মানুষের কাছে পরিচিত, কেউ বলে “দিঘির শহর “কোচবিহার, আবার কারো মুখে CoB অর্থাৎ সিটি অফ বিউটি।

কোচবিহারের মহারাজাদের স্বপ্নলোক ছিলো কোচবিহার , উত্তরবঙ্গের এই একমাত্র সাজানো শহরে একসময় ছিলো বহু দীঘি, যদিও এখনো অবশিষ্ট রয়েছে বেশ কিছু দিঘী কিন্তু কালের নিয়মে অনেক দিঘী অথবা পুরনো খাল বিল এখন ইতিহাসের গর্ভে সমাধিষ্ট হয়েছে।। শিল্পায়ন নগরোন্নয়ন সঙ্গে সঙ্গে প্রোমোটারির trend যতো বেড়েছে, ঠিক তার সঙ্গে তাল মিলিয়ে কমেছে সবুজায়ন।। ধীরে ধীরে শত শত বছরের পুরনো গাছ কোচবিহার বাসীর চোখের সামনে কাটা পড়েছে।

একসময় শোনা যেতো যে কোচবিহার এর প্রত্যেকটি বাড়ির সামনে থাকতো একটি ফুলের বাগান ও বাড়ির পেছনে থাকতো সুপারি বাগান ও
কোচবিহারে হতো লাগাতার বর্ষণ,, বন্যা ছিলো কোচবিহারের মানুষের দিনচর্চা কিন্তু একবিংশ শতাব্দীতে Square feet এর যুগ এসেছে,, আজ সেইসব জায়গায় তৈরি হয়েছে কংক্রিট স্তম্ভের বাগান।। হয়তো লাগাতার এই সবুজের সাম্রাজ্যের সংকোচনের জন্যই প্রকৃতির কাছে নতি স্বীকার করে আজ কোচবিহারের পৌরপ্রধান সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন :

“কোচবিহার শহরের নাগরিকবৃন্দের কাছে একটি আবেদন। এই সময়ে জলস্তর অত্যন্ত নিচে নেমে যাওয়ার কারণে একটানা দু’ঘণ্টার বেশি জল সরবরাহ করা সম্ভব হচ্ছে না। কারণ নিচে দীর্ঘদিন জল তুলতে তুলতে জলের যোগানটা অনেক কমে গেছে। যার কারনে ইতিমধ্যেই আমাদের জলের পাম্পের মোটর গুলো জ্বলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। মধ্যে শহরের বহু মটর নষ্ট হওয়ার কারণে জল সরবরাহ বিঘ্নিত হচ্ছে। তাই জল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে সকাল বেলা তিন ঘন্টার পরিবর্তে দু’ঘণ্টা জল সরবরাহ করতে আমরা বাধ্য হলাম। দুপুর বেলা আমরা কিছুটা সময় বাড়িয়ে দুঘন্টা করলাম। বিকেল বেলা তখনও কিছুটা সময় বাড়িয়ে এক ঘন্টা করলাম। পাশাপাশি তর্ষার পাইপ লাইনের জল সকালে এক ঘন্টা ও বিকালে এক ঘন্টা দেওয়ার সিদ্ধান্ত পৌরসভা গ্রহণ করে  জল সরবরাহ ব্যবস্থা যাতে ভেঙে না পড়ে এই সিদ্ধান্ত বাধ্য হয়ে নিতে হয়েছে।”

প্রসঙ্গত, কোচবিহারবাসীর যতই দাপট থাক না কেনো রাজ্যমন্ত্রী সভায় অথবা কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায়, কিন্তু সত্যিই কি কখনো কেউ, কোচবিহারের ধীরে ধীরে বদলাতে থাকা এই আবহাওয়ার কথা চিন্তা করেছেন!! রাজনৈতিক বাক্য বিনিময় তো প্রায়শেই শিরোনামে থাকে কোচবিহার থেকে,, কিন্তু দুই -একটা ব্যতিক্রম ছাড়া কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে একটি বাক্য ব্যয় করতে শুনেছেন কোচবিহারের এই দীর্ঘ ব্যাধি নিবারণের জন্য!!

কোচবিহারের আবহাওয়া যদি পরিবর্তন হয়ে যায়, কোচবিহারের প্রাকৃতিক চরিত্র যদি পরিবর্তন হয়ে যায়, তাহলে কিসের কোচবিহারের আবেগ!! কিসের ঐতিহ্য!!

হ্যাঁ “জলসঙ্কট” এখন কোচবিহারের বাস্তব, তবে কি কোচবিহারের আবহাওয়া পরিবর্তন প্রধান ইস্যু হবে আগামী নির্বাচনে!!

দিনহাটায় একসঙ্গে ১৫ মোটরসাইকেল উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেফতার ২

দিনহাটায় একসঙ্গে ১৫ মোটরসাইকেল উদ্ধার করল পুলিশ, গ্রেফতার ২

জানা যায়, একটি চুরির ঘটনার তদন্ত করতে নেমে পুলিশ নিগমনগর এলাকা থেকে অলোক বয়স ৪৫ ও মদন সাহা বয়স ৫৫ নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে এবং তাদের কাছ থেকে উদ্ধার হয় এই 15 টি মোটরসাইকেল।। গোটা বিষয় নিয়ে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ এবং এর পিছনে কোন বড় চক্র জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

কোচবিহারে আই এন টি ইউ সির অভিনন্দন সভা।

কোচবিহার জেলা আইএনটিইউসি’র পক্ষ থেকে কোচবিহার বিএন দে সরকার বাস টার্মিনাসে বিজয় অভিনন্দন সভা অনুষ্ঠিত হলো বক্তব্য রাখেন পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সদস্য ও কোচবিহার জেলা আইএনটিইউসি সভাপতি বিশ্বজিৎ সরকার, এআইসিসি সদস্যা প্রিয়া রায় চৌধুরী, জেলা আইএনটিইউসির সহ সভাপতি ডা: সুলতান আমিরুল ইসলাম, জেলা আইএনটিইউসি সাধারণ সম্পাদক প্রভাত কুমার রায়, ঋতুরাজ দাস প্রমুখ ও নেতৃবৃন্দ।

কোচবিহার জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকের মাটির রাজনীতির বনাম অনুদানের রাজনীতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের, বদলে যাচ্ছে কোচবিহারের রাজনীতি সমাজনীতি সর্বোপরি।।

রাজনগর কোচবিহার বরাবর রাজনৈতিক শিরোনামে বিগত কয়েক বছর থেকে ,কিন্তু ইতিমধ্যে কোচবিহারের রাজনীতিতে এসে গেছে এক আমূল পরিবর্তন। বিপ্লব কখনো একদিনে আসে না, বৈপ্লবিক পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় ধীরে ধীরে, কিন্তু বিপ্লবের একটা ignition point থাকে এবং এই ক্ষেত্রে বিভিন্ন রাজনৈতিক মহলের ধারণা কোচবিহারের রাজনীতির সেই গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ হচ্ছে কোচবিহার তৃণমূল জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকের জেলা তৃণমূলের মসনদে বসার সেই বিশেষ সময়।। এই কথা বলাই বাহুল্য দীর্ঘদিন কোচবিহারের রাজনীতিতে ছিলো এক ধরনের সন্ত্রাসের কালো মেঘের ছায়া,, রাজনৈতিক সংঘর্ষ লেগেই থাকতো , যদিও এখনো সম্পূর্ণভাবে নির্মূল হয়নি সেই ট্রেন্ড, কিন্তু সন্ত্রাস এবং রাজনৈতিক সংঘর্ষের ঘটনা ক্রমেই কমে যাচ্ছে রাজনগরে,, এবং ফিরে আসছে সৌহার্দের পরিবেশ । এর জন্য যদি একদিকে ক্রেডিট দিতেই হয় তাহলে অবশ্যই জেলা প্রশাসন ও সমস্ত রাজনৈতিক দলের বিবেকপূর্ণ আচরণকে কিন্তু অবশ্যই সব থেকে বেশি কার্যকারী ভূমিকা নির্বাহ করেছে কোচবিহার তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিকের মাটির রাজনীতি,, তার দৈনন্দিনের চর্চা হয়ে দাঁড়িয়েছে শান্তির বার্তা দেওয়া ও মানুষের সঙ্গে মিশে গিয়ে তার বিভিন্ন রাজনৈতিক ক্রিয়াকলাপ।

প্রসঙ্গত, ২০১৯  লোকসভা নির্বাচনের পরে জেলা রাজনীতিতে শক্তিশালী অবস্থান অর্জন করে বিজেপি এবং সাংসদ  নির্বাচিত হন বর্তমান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক, তারপরে ২০২১ সালে বিজেপি আরো শক্তি বৃদ্ধি করে তথা বিভিন্ন অঞ্চলে বিজেপি বিধায়করা নির্বাচিত হন।। কিন্তু এই পুরো সময় কালে কোচবিহারের রাজনীতি যেনো আরো উত্তপ্ত হতে থাকে একদিকে রাজ্যে ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস ও আরেক দিকে কেন্দ্রে ক্ষমতাসীন বিজেপি।। দুই ক্ষমতাসিনের এই যুদ্ধে সাধারণ মানুষের অবস্থা আরো খারাপ হতে থাকে, একে অন্যের উন্নয়নের বিভিন্ন কাজ কর্মের পথে বাধা হয়ে  দাঁড়ায় বলে দুই ক্ষমতাসীন একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগের পর অভিযোগ করতে থাকে।। অন্যদিকে দুই দলের কর্মী সমর্থকরা বিভিন্ন সংঘর্ষে জড়িয়ে কখনো বাড়ি ছাড়া কখনো আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন কখনো নানান মামলায় জর্জরিত হয়ে আদালতের চক্কর কাটতে থাকে।। সেই সময় কোচবিহারের রাজনীতির ধারা হয়ে গিয়েছিলো একে অপরের বিরুদ্ধে অপশব্দ ব্যবহার করা, কার মধ্যে কতটা বাহুবল রয়েছে সেই প্রদর্শন করা , কে কাকে কত বড় হুঁশিয়ারি দিতে পারে, কে কতগুলো গাড়ি নিয়ে ঘুরতে পারে, কার কতগুলো সুরক্ষা বাহিনী রয়েছে, প্রতিস্পর্ধা চলছিলো এইসবের,, হঠাৎ করে কোচবিহারের রাজনৈতিক নেতাদের আশেপাশে কালো সাফারি পড়া সুরক্ষা কর্মীদের দেখা যেতে লাগলো,, রাজনৈতিক নেতারা যেনো মানুষের থেকে, দূরে আরো দূরে হয়ে যেতে লাগলো।।

সমাজ বদলানোর কথা, মানুষের ব্যথা শোনার মনোযোগ, অর্থনীতি সমাজনীতি লোকনীতি নিয়ে চর্চা ক্রমেই রাজনীতির ব্যাক সিটে চলে যাচ্ছিলো,, তার বদলে জায়গা করে নিচ্ছিলো রাজনৈতিক আড়ম্ভর।। যদিও এই সবের মধ্যেও শাসকদলের নেতারা যখন সাংসদ ও বিধায়ক তহবিলের টাকা নিয়ে  প্রশ্ন করছিলো তখন পাল্টা শাসক দলের বিরুদ্ধেই অসহযোগিতার অভিযোগ ওঠে বিরোধী দলের থেকে।। অন্যদিকে শাসক দলের বিরুদ্ধে যখন সন্ত্রাসের অভিযোগ আণে বিরোধীরা, তখন শাসক দলের থেকে বাহুবলি ও কনভয়ের রাজনীতির অভিযোগ আনা হচ্ছিলো।। এই অদ্ভুত রাজনৈতিক ব্যাকরণ এর মাধ্যমে চলছিল কোচবিহারের রাজনীতি।

কিন্তু পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে অভিজিৎ দে ভৌমিকের জেলা সভাপতি হওয়ার পর থেকেই , তিনি জেলার প্রান্তে প্রান্তে ঘুরে শান্তির বার্তা দেওয়া শুরু করলেন, যদিও ঘনিয়ে এসেছে পঞ্চায়েত ও লোকসভা ভোট কিন্তু বহুদিন এই ধরনের শান্তির বার্তা কোচবিহারের মানুষ শুনেনি,, কোচবিহারের মানুষ আরো বেশি অবাক হলো যখন শাসক দলের জেলা সভাপতি কে তারা দেখলেন মাঠে ময়দানে বসে মানুষের পরিষেবা পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি করতে,, ধীরে ধীরে অপশব্দ যেনো হারিয়ে যেতে লাগলো কোচবিহারের রাজনীতির থেকে,, ঠিক সমসাময়িকভাবে উল্টো দিক থেকেও সমান ভাবে রেসপন্স দেখা যেতে লাগলো,, ইতিমধ্যে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামানিক কে দেখা গেলো এক দরিদ্র পরিবারের মেয়েকে বিয়ে দিতে,, আবার কখনো তাকে দেখা গেলো কোনো দুস্থ পরিবারের দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত মানুষকে আর্থিক সাহায্য করতে।। অন্যদিকে ইতিমধ্যে চাকরি-হারা শিক্ষক-শিক্ষিকাদের আইনি সাহায্যের জন্য এগিয়ে এসেছেন কোচবিহার তৃণমূল জেলা সভাপতি কখনো আবার তিনি পরিযায়ী শ্রমিকদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে দেওয়ার জন্য হচ্ছেন তৎপর।। এই ভাবেই ধীরে ধীরে মোড় ঘুরতে শুরু করেছে কোচবিহারের রাজনীতিতে, সবার অগোচরে ধীরে ধীরে নিজের শিকড় মজবুত করছে সমাজবাদ, মানবাতাবাদ।। কিন্তু এখনো অনেকটা দূর পথ বাকি আসন্ন দুইটি নির্বাচন নির্ধারণ করবে এই রসায়নের পরিণতি। কিন্তু শুরুটা অবশ্যই ভালো কারণ এখন অভিজিৎ দে ভৌমিকের মতনই কর্মীদের সঙ্গে মাঠে বসে খেতে দেখা যাচ্ছে সমস্ত রাজনৈতিক নেতাদের।

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে শুরু হওয়া জন সংযোগ যাত্রা ২০০০ কিলোমিটার পূর্ণ করল

সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়ের নেতৃত্বে শুরু হওয়া জন সংযোগ যাত্রা ২০০০ কিলোমিটার পূর্ণ করল

বৃহস্পতিবার জন সংযোগ যাত্রার আওতায় ২০০০ কিলোমিটারের যাত্রাপথ সম্পূর্ণ করলেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়। কোচবিহারের থেকে শুরু হওয়া যাত্রা বীরভূমে এসে পৌঁছেছে। এই যাত্রা তৃণমূলে নব জোয়ার কর্মসূচির অঙ্গ, যা গত ২৫ এপ্রিল শুরু হয়েছিল।

গত ১৭ দিনে জন সংযোগ যাত্রা আটটি জেলায় পৌঁছে গিয়েছে। এগুলি হল, কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ এবং বীরভূম। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে ৫০টিরও বেশি জনসভা, ৩৫টিরও বেশি বিশেষ অনুষ্ঠান এবং একাধিক বিরাট রোড শো অনুষ্ঠিত হয়েছে।

তৃণমূল স্তরের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করাই এই প্রচার কর্মসূচির উদ্দেশ্য। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে এই কর্মসূচির অংশ হিসাবে পালিত সমস্ত অনুষ্ঠানেই বিভিন্ন বয়সের মানুষ তাঁদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়ে তৃণমূলে নব জোয়ারকে জন জোয়ারে পরিণত করেছেন।

৩,৩৪৩টি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে ইতিমধ্য়েই ১,০০৬টিরও বেশি গ্রাম পঞ্চায়েতে পৌঁছে গিয়েছে জন সংযোগ যাত্রা। সংশ্লিষ্ট জেলাগুলির মানুষের নিরন্তর সমর্থন ছাড়া এটি অর্জন করা সম্ভব ছিল না। রাজ্যের প্রতিটি বাসিন্দার কাছে পৌঁছে যেতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও ২৪ ঘণ্টা পরিশ্রম করছেন।

প্রথম প্রয়াসেই তৃণমূল কংগ্রেস অন্য রাজনৈতিক দলগুলিকে এই ধরনের পদযাত্রা আয়োজনের দিশা দেখাচ্ছে। এই যাত্রার ব্যাপকতা আগামী দিনে দীর্ঘমেয়াদী প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনার পথ প্রস্তুত করছে।

যাত্রা ছাড়াও এই প্রচার অভিযানের অন্য কর্মসূচি, অর্থাৎ ‘গ্রামবাংলার মতামত’ প্রবলভাবে মানুষের আকর্ষণের কারণ হয়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থাপনায় তৃণমূল স্তরের মানুষও রাজ্যের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় আরও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে পারবেন। এইভাবেই, মহাত্মা গান্ধীর ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে পঞ্চায়েত স্তরে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও শক্তিশালী প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা গড়ে উঠবে।