
স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে আরো এক উন্নয়নের ধাপ কোচবিহারে। শুরু হলো জেডি হাসপাতাল উন্নয়নের কাজ।।
শনিবার পশ্চিমবঙ্গ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ দপ্তরের প্রায় ২ কোটি টাকা ব্যায়ে শুরু হল রাজ আমলের জগদীপেন্দ্রনারায়ণ হাসপাতালের (জে.ডি হাসপাতাল) সংস্কারের কাজ।। সেই কাজের শুভ সূচনা করলেন উত্তরবঙ্গ রাষ্ট্রীয় পরিবহন সংস্থার চেয়ারম্যান তথা রগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য মুখপত্র পার্থপ্রতিম রায়। ২০১১ সালে নতুন সরকার গঠনের পর দফায় দফায় কোচবিহার জেলায় স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে উন্নয়ন হয়েছে। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পেয়েছে কোচবিহার জেলা। কিন্তু রাজ আমলের এই জেডি হাসপাতাল দীর্ঘদিন থেকে বেহাল অবস্থায় পড়েছিল। যক্ষা রোগীদের চিকিৎসা হতো এই হাসপাতাল থেকে। এখনো হয়। কিন্তু পরিকাঠামো কত অনুন্নয়নের জন্য বাধা পাচ্ছিল চিকিৎসা ব্যবস্থা। শেষমেষ 2016 সালে পুনরায় সরকার গঠনের পরে বিষয়টি নজরে আসে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের, তারপর থেকেই কিভাবে এই হাসপাতালের উন্নয়ন করা যায় তা নিয়ে চিন্তাভাবনা চলছিল। মাঝে দুই বছর করোনা আবহের কারণে কাজ বন্ধ হয়েছিল। শেষমেষ পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে যদি হাসপাতালে পুরো সংস্কার এবং চিকিৎসা ব্যবস্থা চালু হলে সমগ্র কোচবিহার তথা পার্শ্ববর্তী জেলা আলিপুরদুয়ার এবং নিম্ন আসামের একটা বড় অংশের মানুষের উপকার হবে। এদিন পার্থপ্রতিম রায় জানান, নিন্দুকরা চোখে কাপড় বেঁধে বসে আছে, দেখতে পায় না উন্নয়ন। জেডি হাসপাতাল সংস্কার এবং পুনরায় চালু হলে একদিকে যেমন এলাকার মানুষের উপকার হবে পাশাপাশি হাসপাতাল পরিসরের আর্থসামাজিক উন্নয়ন হবে। কোচবিহারের মহারাজা জগদীপেন্দ্র নারায়ন ভূপ বাহাদুরের হাত ধরে এই হাসপাতালটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এই হাসপাতালের গরিমা ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। এদিনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কোচবিহারের জেলাশাসক পবন কাদিয়ান, জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ সুচিস্মিতা দত্ত শর্মা, কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি উমাকান্ত বর্মন।