উত্তরবঙ্গে নতুন ধরনের রাজনীতির social influencer চলন,Viral মূলমন্ত্র নিয়ে গোপনে আবির্ভাব রাজনীতির 5G সংস্করণ।

দেশে এসে পড়েছে 5G, যদিও 4G আমল থেকেই মরিচা ধরতে শুরু করেছিলো সেকেলে রাজনীতি।। আইটি সেল থেকে নিয়ে শুরু করে পাবলিক রিলেশন্স কোম্পানিগুলোর ক্রমেই গুরুত্ব বেড়েছে রাজনীতির আঙিনায়।। প্রশান্ত কিশোর, পুরনো সাফোলজির পাণ্ডিত্যকে হার মানিয়ে, রীতিমতো উজ্জ্বল সূর্য হয়ে সমস্ত ধরনের সমীকরণের ছায়া কাটিয়ে, রাজনৈতিক দলগুলোকে সোশ্যাল মিডিয়ার স্মার্ট আলোয় আলোকিত করে প্রমাণিত করেছেন, নির্বাচনের ডে নাইট ম্যাচের বিজয় তিলক ধারণ করতে হলে রপ্ত করতে হবে সোশ্যাল মিডিয়ার ফ্লাড লাইটের নিচে খেলার পদ্ধতি।।

যদিও সমস্ত রাজনৈতিক দলের সোশ্যাল মিডিয়া সেল ইতিমধ্যে চলনে রয়েছে, কিন্তু রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সঙ্গে জনগণো তাল মিলিয়ে স্মার্ট হওয়ার জেরে সমস্ত রাজনৈতিক দলের মধ্যে এক নতুন ধরনের ট্রেন্ড লক্ষ্য করা যাচ্ছে।। একদিকে যখন পারম্পরিক সংবাদ মাধ্যম গুলোর উপরে পক্ষপাতিত্ব অভিযোগের সুচি ক্রমাগত বেড়ে চলেছে,  যার জেরে তাদের গুরুত্ব ধীরে ধীরে কমে আসছে সমাজে। অন্যদিকে আগে থেকেই ভাইরাল  সোশ্যাল influencerদের গুরুত্ব ক্রমেই বেড়ে চলেছে।।

উল্লেখ্য, ইতিমধ্যে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন Social influencer দের সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা গোপনে সাক্ষাৎ করছেন,, এবং তাদেরক সঙ্গে সম্পর্ক দৃঢ় রাখার চেষ্টা করে চলেছেন, সূত্রের খবর কোন কোন ক্ষেত্রে দেওয়া হচ্ছে প্রলোভন।সঙ্গে সঙ্গে এই সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সারদের ক্রমেই কদর বাড়ছে রাজনৈতিক আঙিনায়।। তাদের ডাক পড়ছে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে।। টলিউড কিংবা বলিউডের তারকা দের থেকেও জনমানুষের মধ্যে এইসব influencer দের প্রভাব অনেকটাই বেশি বলে মনে করছেন ওয়াকিবহল মহল।।

প্রসঙ্গত, বর্তমান রাজনীতির মূলমন্ত্র যেমন, যে করেই হোক নির্বাচনে জয়লাভ করতেই হবে।তেমনি সোশ্যাল মিডিয়ার মূলমন্ত্র হচ্ছে ‘যেভাবেই হোক ভাইরাল হতে হবে,, এই ক্রমে,ইতিমধ্যে কিছু কিছু social influencer কুরুচি সম্পন্ন মন্তব্য এবং কার্যকলাপ করে অথবা প্রকাশ্যে গালিগালাজ করেও সোশ্যাল মিডিয়ায় রীতিমত ভাইরাল।। এইরকম অবস্থায় রাজনৈতিক মহলের ধারণা রাজনৈতিক নেতাদের Gold rush এর মতন ঠিক করে যাচাই না করে শুধু ভাইরাল তত্ত্বকে সামনে রেখে social influence দের পিছনে এই অন্ধ দৌড় হিতে বিপরীত হয়ে যেতে পারে।। কিছু কিছু ক্ষেত্রে হয়তো Boomerang হয়ে যেতে পারে।। কারণ এই সমস্ত সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সাররা ভাইরাল হওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করেন সেই ক্ষেত্রে রাজনৈতিক নেতাদের গায়ে বিরুপ তকমা লেগে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা যে থেকেই যাচ্ছে তা বলাই বাহুল্য।।

যদিও, ক্রমেই রাজনীতিতে Social influencer দের গুরুত্ব যে বাড়বে এবং আগামী দিনে সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সরেরা যে রাজনৈতিক প্রচারেরো হয়তো সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হতে চলেছে।। কিন্তু এই ক্ষেত্রে সম্ভাবনা এবং সতর্কতা দুটোর মধ্যে সামঞ্জস্য স্থাপন করার প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। এই ক্ষেত্রে শুধুই ভাইরাল না, ভাইরাল হওয়ার পদ্ধতি পর্যবেক্ষণ করাটাও প্রয়োজন , কারণ সোশ্যাল ইন্সুরেন্স দের দায়বদ্ধতা না থাকলেও রাজনৈতিক নেতাদের মানুষের কাছে দায়বদ্ধতা রয়েছে।

Leave a Comment